
কলকাতা: ২ দিনের লুকোচুরির শেষ। অবশেষে সোনারপুরের কামালগাছি থেকে গ্রেফতার ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা। বৃহস্পতিবার সাতসকালেই ভাঙড়ের দাপুটে নেতার বাড়িতে হানা দেয় এনআইএ। যদিও সেই সময় তাঁর দেখা মেলেনি। শেষে তাঁর ছেলে নিয়েই এলাকায় নানা প্রান্তে জোরকদমে তল্লাশি চালান জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দারা।
প্রসঙ্গত, ভোটের আগে ভাঙড় বিধানসভার চালতাবেড়িয়ার দক্ষিণ বামুনিয়া গ্রামে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় একজনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্তভার যায় এনআইএ-র হাতে। এই কেসেই শওকতকে খুঁজছিল পুলিশ। ওই বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্যতম প্রধান সন্দেহভাজন ও ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে শওকত মোল্লার নাম বলেছে এনআইএ। কিন্তু বৃহস্পতিবার দিনভর ভাঙড়, ক্যানিং এর মোট আট জায়গায় তল্লাশি চললেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। রাতে খবর মেলে বাসন্তী হয়ে বাংলাদেশ গা ঢাকা দিতে পারেন শওকত। সেই সময়েই বাসন্তীর চুনোখালি এলাকায় রাতে তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা। কিন্তু শওকতের টিকিরও দেখা মেলেনি।
বৃহস্পতিবার শেষ পাওয়া আপডেটে জানা গিয়েছিল NIA-র টিম জাকাড়িয়া সুন্দরবন মাদ্রাসা এলাকায় চিরুনি তল্লাশি চালায়। গোটা গ্রাম ঘুরে প্রত্যেকটা বাড়ি দেখা হয়। কোনওভাবেই যাতেই তিনি সীমান্ত পার হতে না পারেন সে কারণে গোটা গ্রাম ঘিরে ফেলা হয়। অবশেষে শুক্রবার মিলল সাফল্য।
এদিকে এই কেসে এর আগে মোট তিনজনকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ। আগেই অ্যাম্বুল্যান্স চালক সুরজ মোল্লা, তৃণমূল নেতা ওহিদুল মোল্লাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে অনেক তথ্যই হাতে এসেছিল। পরে সায়নুর মোল্লা নামে এক স্করপিও ড্রাইভারকেও গ্রেফতার করে এনআইএ।