কলকাতা: শেখ শাহজাহান শুধু রাজনৈতিক নেতাই নন, জমিদারও, তাঁর এলাকার লোকজন তেমন দাবিই করছেন। শেখ শাহজাহানের খোঁজে যখন হন্যে পুলিশ, তখন তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসছে। কেউ কেউ বলছেন, শুধু খাবার নয়, জমিরও খিদে ছিল শাহজাহানের।
আগারহাটি ছোটবিটপুরের বাসিন্দা সনৎ মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, শাহজাহানের জমির খিদে মেটাতে গিয়ে দিনমজুর হতে হয়েছে তাঁকে। বাসন্তী হাইওয়ের ধারে কয়েকশো বিঘা জমিতে বিলাসবহুল বাগানবাড়ি রয়েছে শাহজাহানের। সে জমিতে বসত ছিলেন সনৎ মণ্ডলদের।
অভিযোগ, সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শাহজাহানের শখ মেটাতে সক্রিয় হন আগারহাটি পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়াউদ্দিন মোল্লা। এই জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বেই ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ, সনৎ মণ্ডলের বাবা শাহজাহানকে জমি দিতে রাজি হননি। এমনও অভিযোগ, সনতের বাবাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন শাহজাহান। কিন্তু এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তিনি পথদুর্ঘটনায় মারা যান বলে সনৎদের জানানো হয়। অভিযোগ, পরে বুলডোজ়ার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় সনৎদের বাড়ি। এরপর থেকে আর এলাকাতেই ঢুকতে পারেননি সনৎ।
সনৎ মণ্ডল বলেন, “বাবার নামেই জমিটা। বাবাকে রোজ এসে বিরক্ত করত জিয়া, ভয় দেখাত। জিয়াউদ্দিন শাহজাহানের লোক। জিয়াউদ্দিন প্রধান হয়েছে। ওরা আমার বাবাকে শাহজাহানদের পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। বাবা আর বাড়ি ফেরেননি। পরে বলল গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। তখন অশৌচ চলছে আমাদের। এসে বলল, সাদা কাছা কবে খুলবি বল। জমি তো তোদের ছাড়তেই হবে। আমাদের ভয় দেখিয়ে গত বছর জমি দখল করল। আমাদের পাকা ঘর জেসিবি দিয়ে ভাঙল। বসিরহাট কোর্টে গেলাম। বলল উপর আদালতে যান।”
তবে সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগই মানতে চাননি। বলেছেন, “আমি যতটা জানি তাতে জমি দখলের অভিযোগ শুনিনি। কে কোন তথ্য তুলে ধরছে বা অভিযোগ করছে জানি না, তবে আমার এটা সত্যি মনে হয় না। আগে এখানে জমিদারি ছিল। জমি জায়গা তো কেউ কিনেছে। তবে জমি দখল করেছে এরকম রিপোর্ট আমি অন্তত পাইনি।”
কলকাতা: শেখ শাহজাহান শুধু রাজনৈতিক নেতাই নন, জমিদারও, তাঁর এলাকার লোকজন তেমন দাবিই করছেন। শেখ শাহজাহানের খোঁজে যখন হন্যে পুলিশ, তখন তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আসছে। কেউ কেউ বলছেন, শুধু খাবার নয়, জমিরও খিদে ছিল শাহজাহানের।
আগারহাটি ছোটবিটপুরের বাসিন্দা সনৎ মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, শাহজাহানের জমির খিদে মেটাতে গিয়ে দিনমজুর হতে হয়েছে তাঁকে। বাসন্তী হাইওয়ের ধারে কয়েকশো বিঘা জমিতে বিলাসবহুল বাগানবাড়ি রয়েছে শাহজাহানের। সে জমিতে বসত ছিলেন সনৎ মণ্ডলদের।
অভিযোগ, সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শাহজাহানের শখ মেটাতে সক্রিয় হন আগারহাটি পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়াউদ্দিন মোল্লা। এই জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বেই ইডি আধিকারিকদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ, সনৎ মণ্ডলের বাবা শাহজাহানকে জমি দিতে রাজি হননি। এমনও অভিযোগ, সনতের বাবাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন শাহজাহান। কিন্তু এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। তিনি পথদুর্ঘটনায় মারা যান বলে সনৎদের জানানো হয়। অভিযোগ, পরে বুলডোজ়ার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় সনৎদের বাড়ি। এরপর থেকে আর এলাকাতেই ঢুকতে পারেননি সনৎ।
সনৎ মণ্ডল বলেন, “বাবার নামেই জমিটা। বাবাকে রোজ এসে বিরক্ত করত জিয়া, ভয় দেখাত। জিয়াউদ্দিন শাহজাহানের লোক। জিয়াউদ্দিন প্রধান হয়েছে। ওরা আমার বাবাকে শাহজাহানদের পার্টি অফিসে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল। বাবা আর বাড়ি ফেরেননি। পরে বলল গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছে। তখন অশৌচ চলছে আমাদের। এসে বলল, সাদা কাছা কবে খুলবি বল। জমি তো তোদের ছাড়তেই হবে। আমাদের ভয় দেখিয়ে গত বছর জমি দখল করল। আমাদের পাকা ঘর জেসিবি দিয়ে ভাঙল। বসিরহাট কোর্টে গেলাম। বলল উপর আদালতে যান।”
তবে সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ওঠা কোনও অভিযোগই মানতে চাননি। বলেছেন, “আমি যতটা জানি তাতে জমি দখলের অভিযোগ শুনিনি। কে কোন তথ্য তুলে ধরছে বা অভিযোগ করছে জানি না, তবে আমার এটা সত্যি মনে হয় না। আগে এখানে জমিদারি ছিল। জমি জায়গা তো কেউ কিনেছে। তবে জমি দখল করেছে এরকম রিপোর্ট আমি অন্তত পাইনি।”