
কলকাতা: বিধানসভায় একটি চিঠি জমা দিতে এসেছিলেন মন্ত্রী তাপস রায়। তখন বিধানসভাতে ছিলেন কুণাল ঘোষও। বিধানসভার অলিন্দে কুনাল ঘোষের সামনেই পড়ে যান তাপস রায়। মুখ ঘুরিয়ে না চলে গিয়ে কথা বলেন তাঁরা। কুণাল তখন তাপস রায়কে জানান, “আমাদের ওয়াই চ্যানেলে অনুমতি দেওয়া হয়নি।”
তখন তাপস বলেন, “আমাদের ১০৪ বার সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। হাইকোর্টে যেতে হয়েছিল।” কুণালকে বলতে শোনা যায়, “সব সম্পর্ক রাজনীতি দিয়ে দেখবেন না।তাপস দা তো আমার কলেজে সিনিয়র। খাওয়া পাওনা আছে। বৌদির কাছে গিয়ে লুচি খেয়ে আসব।” তাপস রায়কে তিনি মনেও করিয়ে দেন, “প্রকাশ্যে তাপস দার সুনাম করেছিলাম বলে, আমায় সাসপেন্ড করা হয়েছিল।”
উল্লেখ্য, বিধায়ক হিসাবে প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়ের কাছ থেকে শপথ নেওয়ার পরই কুণাল ঘোষ বলেছিলেন, ‘তাপসদাকে ধরে রাখার চেষ্টা করেছিলাম।’ যদিও প্রত্যুত্তরে সে কথায় বিশেষ তাপস রায় বিশেষ গুরুত্ব দিতে নারাজ ছিলেন।
বর্তমান রাজ্য রাজনীতির যা পরিস্থিতি, তাতে তৃণমূলের মুষলপর্বে ক্রমাগত বিঁধে যাচ্ছেন তাপস রায়। মঙ্গলবারও বিধানসভার বাইরে দাঁড়িয়ে তাপস বলেন, “তৃণমূল যেভাবে চলছিল, তাতে এটা প্রত্যাশিত ছিল। এটা একেবারেই ওদের দলীয় ব্যাপার। এই নিয়ে আমাদের কোনও মাথাব্যাথা নেই। এভাবেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়বে তৃণমূল।” বিজেপির খোঁচা, ‘তৃণমূল পার্টিটাই জিরো হয়ে যাবে…’ ইতিমধ্যেই ঋতব্রতকে ঘিরে ঘাসফুল অন্দরেই সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বহিষ্কৃত ঋতব্রতর সঙ্গে সাথ দিচ্ছেন তৃণমূলের ৫০ বিধায়ক। তৃণমূলের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় Y চ্য়ানেলে ধরনায় বসেছেন। কিন্তু সেখানেও ছন্নছাড়া তৃণমূল!