
বারুইপুর: গত শনিবার থেকে মেয়ের কোনও খোঁজ ছিল না। চেনা-পরিচিত লোকজনের বাড়িতে চলছিল খোঁজ। কিন্তু মেয়েকে যখন পাওয়া যাবে, তখন যে তার শরীরে প্রাণ থাকবে না, সেটা বোধহয় দুঃস্বপ্নেও ভাবেনি নাবালিকার মা। রবিবার দুপুরে পুকুর থেকে উঠল নাবালিকার নিথর দেহ। ময়নাতদন্তে মিলল যৌনাঙ্গে আঘাতের চিহ্ন। গোটা শরীর জুড়ে অত্যাচার আর আঘাতের ক্ষত। মেয়েকে যেভবে অত্যাচার করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই যেন অভিযুক্তদের শাস্তি হয়, এটাই দাবি করছেন নির্যাতিতার মা।
নির্যাতিতার মা বলেন, “আমরা চাইছি, আমাদের বাচ্চা যেভাবে কষ্ট পেয়ে পেয়ে মরেছে। শয়তানগুলোও যেন সেরকমই কষ্ট পায়। আর খুব তাড়াতাড়ি যেন শাস্তি পায়।” তিনি আরও বলেন, “এর আগেও অনেক ঘটনা ঘটেছে। দেখিনি তো কোনওদিন বিচার পেতে। তখন পুরনো সরকার ছিল। এবার নতুন সরকার এসেছে। বিচারটা যেন পাই।”
সিসিটিভি ফুটেজে কী দেখা গিয়েছে, সেই বর্ণনাও দিয়েছেন তিনি। নির্যাতিতার মা বলেন, “দেখেছি, মেয়েকে ওরা হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল। বাচ্চার হাতে খাবার ছিল। প্লাস্টিকে কী ছিল, বুঝতে পারিনি। ওরাই কিনে দিয়েছিল। হাত ধরে নিয়ে যাচ্ছিল, এটুকুই দেখা গিয়েছে।”
বারুইপুরের (Baruipur Case) ঘটনায়, প্রাথমিক যে রিপোর্ট সামনে এসেছে, তাতে উল্লেখ রয়েছে, নাবালিকার মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল, মাথায় রয়েছে গভীর ক্ষত। গলায় ও ঘাড়েও রয়েছে একাধিক ক্ষত। শরীরের বিভিন্ন অংশে মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষত মিলেছে বলেও সূত্রের খবর। এছাড়া রিপোর্ট বলছে, নাবালিকার ফুসফুসে ঢুকেছিল জল।