
কলকাতা: নিউটাউনে লিভ ইন পার্টনারের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য। মৃতার নাম তৃষা সাহা (২৫)। বাড়ি নৈহাটিতে। সূত্রের খবর, চার মাস আগে থেকে সৌভিক রায় নামে এক যুবকের সঙ্গে নিউটাউনের চন্ডীবেড়িয়াতে একটি ফ্ল্যাটে একত্রবাসে থাকতে শুরু করেছিল। এই সৌভকিকেও রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। এই মুহূর্তে সে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কিন্তু পুরো ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে দানা বেঁধেছে রহস্য। তৃষা সাহার মৃত্যুর কারণও এখনও পুলিশের কাছে স্পষ্ট নয়। জোরকদমে চলছে তদন্ত।
যদিও প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান ঝামেলার কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তরুণীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পায়ে রয়েছে ক্ষত চিহ্ন। তাই সৌভিক ও তৃষার মধ্যে কোনও ঝামেলা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। অন্যদিকে মারধর করে তৃষাকে ঝুলিয়ে দিয়ে সৌভিক রায় আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছে কিনা সেটাও ভাবাচ্ছে পুলিশকে। আপাতত আশেপাশের লোকজনকেও জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অন্যদিকে তৃষার ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেও এ বিষয়ে ধোঁয়াশা অনেকটাই কাটবে বলে মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি সৌভিকের বয়নাও এ ক্ষেত্রে পুলিশের রহস্য সমাধানে বড় অস্ত্র হতে পারে।
বাড়ির মালিক সুদাম মাইতি বলছেন, আগে ওদের মধ্যে কোনও ঝামেলা বা অশান্তি হয়েছিল বলে শুনিনি। ৪ থেকে ৫ মাস ওরা এখানে রয়েছে। লিভ ইনেই থাকতো। আমি খবর পাওয়ার পরেই পুলিশকে জানাই। আত্মহত্যা না অন্য কোনও ঘটনা পুলিশ সেটা দেখছে। আমার যে এগ্রিমেন্টের কাগজ বা অন্য ডকুমেন্ট রয়েছে সবই দিয়েছি।