Mamata Banerjee news: ‘কেউ মমতার বই ইস্যু করে না’, লাইব্রেরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বই

এর আগে রাজ্যের মন্ত্রীর বার্তা ছিল, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের লেখা বই পড়িয়ে বাংলার কী করেছেন, তা বাংলার মানুষ দেখেছেন। বাংলা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলা হয়ে গিয়েছে। কর্মসংস্থান নেই, মা-বোনদের সুরক্ষা নেই, গণতন্ত্র নেই। এগুলো তাঁর বই পড়ে হয়েছে। তাই তাঁর লেখা বইগুলোকে আমরা বাতিল করব। আমরা রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই। যে সংস্কৃতি দেখে একসময় সারা ভারত তথা বিশ্বের লোক বাংলায় আসত।"

Mamata Banerjee news: কেউ মমতার বই ইস্যু করে না, লাইব্রেরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বই
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীImage Credit source: PTI

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 16, 2026 | 10:41 PM

জলপাইগুড়ি: তৎকালীন তৃণমূল সরকারের (TMC Goverment) আমলে ঘোষণা করা হয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি স্কুল ও সব লাইব্রেরিতে থাকবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই। সেই মতো স্কুলগুলিতে বই রাখা হয়েছিল। তবে, পালা বদলের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই সরিয়ে দিতে তৎপর বিজেপি সরকার।রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষের বার্তার পরই জলপাইগুড়ি জেলার বিভিন্ন লাইব্রেরি থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

জানা গেছে, জলপাইগুড়ি জেলায় মোট ৭৩ টি গ্রন্থাগার রয়েছে। সমস্ত লাইব্রেরিতেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। লাইব্রেরিয়ান সিদ্ধার্থ মোহন বাগচি প্রকাশ্যে স্বীকার করছেন, বছরের পর বছর লাইব্রেরিতে পড়ে থাকলেও, পাঠকরা মমতার লেখা কোনও বই পৃষ্ঠা উল্টে দেখতেন না। সিদ্ধার্থ মোহন বলেন, “আমাদের লাইব্রেরিতে খুব একটা বেশি বই নেই। খবরে দেখলাম মন্ত্রী বলেছেন, এই বই রাখা যাবে না। যদিও আমাদের কাছে কোনও অর্ডার আসেনি এই বিষয়ে। আপাতত বইগুলি সরিয়ে রাখছি। অনেক দিন ধরেই মমতার বই ছিল। কেউ যদিও এই সব ইস্যু করে না।”

গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ টেলিফোনে TV9 বাংলাকে জানিয়েছেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এপাং ওপাং ঝপাং মার্কা বই রাখতে তৃণমূল আমলে চাপ দেওয়া হত লাইব্রেরিগুলিকে। ওইসব সরিয়ে এখন থেকে জাতীয়তাবাদী, দেশপ্রেম ও ইতিহাসের বই বেশি করে রাখা হবে। বই সরিয়ে ফেলার ব্যাপারে সরকারি নির্দেশিকা জারি করা হবে।”

এর আগে রাজ্যের মন্ত্রীর বার্তা ছিল, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের লেখা বই পড়িয়ে বাংলার কী করেছেন, তা বাংলার মানুষ দেখেছেন। বাংলা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলা হয়ে গিয়েছে। কর্মসংস্থান নেই, মা-বোনদের সুরক্ষা নেই, গণতন্ত্র নেই। এগুলো তাঁর বই পড়ে হয়েছে। তাই তাঁর লেখা বইগুলোকে আমরা বাতিল করব। আমরা রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই। যে সংস্কৃতি দেখে একসময় সারা ভারত তথা বিশ্বের লোক বাংলায় আসত।”

 

Follow Us