Alipore Court: কিশোরীকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতন, ৫ দোষীসাব্যস্তকে সাজা ঘোষণা করে বড় নির্দেশ আদালতের

Canning Kidnapping Case Verdict: ২০১৭ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানা এলাকায় ১৭ বছরের ওই কিশোরীকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে যৌন নির্যাতনও করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তারা কিশোরীকে উদ্ধার করে।

Alipore Court: কিশোরীকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতন, ৫ দোষীসাব্যস্তকে সাজা ঘোষণা করে বড় নির্দেশ আদালতের
প্রতীকী চিত্র।Image Credit source: Pexels

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Sep 18, 2026 | 11:18 PM

শ্রাবন্তী সাহা

কলকাতা: কিশোরীকে অপহরণ করে যৌন নির্যাতন। ৯ বছর আগের ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচজনকে দোষীসাব্যস্ত করল আলিপুর আদালত। শুক্রবার তাঁদের সাজা ঘোষণা করলেন বিচারক রিম্পা দাস। দোষীসাব্যস্তদের মধ্যে চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিলেন তিনি। অন্য এক দোষীসাব্যস্তর ১০ বছরের কারাদণ্ড হল। একইসঙ্গে প্রত্যেক দোষীসাব্যস্তকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।     

২০১৭ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানা এলাকায় ১৭ বছরের ওই কিশোরীকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তাকে যৌন নির্যাতনও করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তারা কিশোরীকে উদ্ধার করে।

ওই মামলায় বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের বিচারক রিম্পা দাস পাঁচ অভিযুক্তকেই দোষী সাব্যস্ত করেন। দোষীসাব্যস্তরা হলেন মির্জা মোল্লা গাজী, শখের আলি লস্কর, মাবুদা, অঞ্জুরা বেগম ও সোমনাথ দাস। এই মামলায় বিশেষ সরকারি আইনজীবী হিসেবে যুক্ত ছিলেন অনির্বাণ গুহঠাকুরতা।

গতকাল ৫ জনকে দোষীসাব্যস্ত করার পর এদিন সাজা ঘোষণা করেন বিচারক। এদিন আদালত মির্জা মোল্লা, শখের আলি লস্কর, অঞ্জুরা বেগম এবং সোমনাথ দাসকে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেয়। এছাড়া প্রত্যেককে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে জরিমানা করে। অন্যান্য ধারাতেও বিভিন্নরকম কারাদণ্ডের নির্দেশ রয়েছে। যেগুলো সব একসঙ্গে চলবে বলে বিচারক জানিয়েছেন।

অন্য দোষীসাব্যস্ত মাহফুজা বেগম ওরফে মাবুদাকে আদালত সর্বোচ্চ দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে। এবং অন্যান্য ধারাতেও বিভিন্ন রকম সাজা দিয়েছে। সব সাজা একসঙ্গে চলবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। মাবুদাকেও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। যদি দোষীসাব্যস্তদের তরফ থেকে টাকা জমা পড়ে, সেই টাকার সবটাই যেন নির্যাতিতা পায়, তার ব্যবস্থা করতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। একইসঙ্গে ডিস্ট্রিক্ট লিগাল সার্ভিসেস অথরিটি (DLSA)-কে বিচারক নির্দেশ দিয়েছেন, নির্যাতিতাকে সমাজের মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে সবরকম ব্যবস্থা যেন নেওয়া হয়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us