
দীক্ষা ভুঁইয়া ও সোমা দাসের রিপোর্ট
কলকাতা: দেশে অনুপ্রবেশ রুখতে ‘জ়িরো টল্যারেন্স’ নীতি নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অনুপ্রবেশকারীদের পুশ ব্যাক প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বাংলা থেকেও বহু অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে পুশ-ব্যাক (Push-Back) করা হচ্ছে। তবে, বাংলাদেশ সরকারের (Bangladesh Government) তরফেও বারবার জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুশ-ইন (Bangladesh Push In) হলেই বিরোধিতা করা হবে। ইতিমধ্যেই পুশ-ইন নিয়ে বিরোধিতা শুরু করেছে বাংলাদেশ। ভারত থেকে পুশ-ব্যাক করা অনুপ্রবেশকারীদের পুশ-ইন-এ বাধা দিচ্ছে বাংলাদেশ। এই বিতর্কের মাঝেই বাংলাদেশের পুশ-ইন বিরোধিতা নিয়ে মুখ খুললেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
আজ নরেন্দ্র মোদীর সরকারের ১২ বছর পূর্ণ উপলক্ষে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক সম্মেলনে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আমলে কী কী উন্নতি হয়েছে দেশে,তার খতিয়ান তুলে ধরলেন। সেখানেই এক সংবাদমাধ্যমের তরফে বাংলাদেশের পুশ-ইন বিরোধিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সেই প্রশ্নেরই জবাব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন এই প্রশ্নের উত্তর তিনি দেবেন না। তাঁর দাবি, এটা একেবারেই তাঁর বিষয় না। শুভেন্দু বলেন, “আমি এটার উত্তর দেব না। একটা বহির্দেশের পার্লামেন্টে কোন বিষয় তাঁরা আনবেন, এটা আমি এখান থেকে শুনছি। যদি্ সেরকম কিছু আনে তার জন্য ভারতের পররাষ্ট্রদফতর রয়েছে, পররাষ্ট্রনীতি রয়েছে এবং আর বাংলাদেশ সীমান্ত তো শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, পাঁচটা রাজ্যে রয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এই বিষয়ে আমাদের বিদেশমন্ত্রক বলবে। আমার এখানে কিছু বলার প্রয়োজন নেই। এটা আমার বিষয়ও নয়।” জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সংসদ আগামী ১৪ জুন একটা মোশন আনতে পারেন। যেখানে পুশ ইন-এর বিরোধিতা করবেন।
উল্লেখ্য, ভারতের কাছে যা পুশ-ব্যাক, বাংলাদেশের কাছে সেটাই পুশ-ইন। জানা গিয়েছে, প্রায় প্রতিদিনই ভারতের তরফে পুশ-ব্যাক করা হচ্ছে অবৈধ বাংলাদেশিদের। এদিকে, বিভিন্ন বাংলাদেশ সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, পুশ-ইন-এর প্রতিবাদে নামছে জামাত। দেশের সীমান্তবর্তী সবকটি জেলায় সীমান্তের চেকপোস্টগুলির কাছে প্রতিবাদ সমাবেশ করছেন তাঁরা। ১৫ জুনও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।