Surendranath College: লন্ডন থেকে পাস, সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ‘কান কাটা’ দেবুর ছেলের ঠিকুজি-কুষ্ঠি জানেন?

Kolkata: সজল ঘোষ বলেন, "ছেলেদের ভর্তির টাকা। টাকা নিয়ে যেমন চাকরি হয়েছে। তেমনই এইসব কলেজে কোটি টাকার বিনিময়ে ভর্তি হয়েছে। এতে মাথা থেকে পা পর্যন্ত জড়িত। পুলিশ কোনওদিন এদের কেশাগ্র স্পর্শ করেনি। তাই বলছি, এদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।"

Surendranath College: লন্ডন থেকে পাস, সুরেন্দ্রনাথ কলেজের কান কাটা দেবুর ছেলের ঠিকুজি-কুষ্ঠি জানেন?
'কান কাটা' দেবুর ছেলেImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 03, 2026 | 5:58 PM

কলকাতা: সুরেন্দ্রনাথ কলেজের (Surendranath College) ইউনিয়ন রুম থেকে উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা। শুধু তাই নয়, উদ্ধার হয়েছে কন্ডমও। যা নিয়ে কম শোরগোল চলছে না। এই ঘটনায় তৃণমূল নেতা দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় (Debasish Banerjee)  সহ দু’জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু। এমনকী, কলেজের ভেন্ডর পরিতোষ দত্তর নামেও অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

শিবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায় কে জানেন?

জানা যাচ্ছে, দেবাশিস ও তাঁর ছেলে কলেজে বেডরুম বানিয়ে ছিলেন। সেখানে কী নেই। অ্যাটাচ বাথরুম, বিছানা-বালিস সব রয়েছে। কলেজের মধ্যে কেন এই সব থাকবে? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছিল। জানা যায়, দেবাশিস ওরফে দেবুর মাথায় হাত ছিল তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের। সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ ছিলেন দেবাশিস ও তাঁর ছেলে শিবাশিস।

জানা যাচ্ছে, ২০১২ সালে সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজ আইনি নিয়ে পাশ করেন শিবাশিস। এরপর ‘⁠নেতাজি সুভাষ ওপেন ইউনিভার্সিটি’ থেকে তিনি স্নাতকোত্তর পাস করেন। অভিযোগ, ⁠এরপর বাবার তোলাবাজির টাকায় লণ্ডনে পড়তে যান অভিযুক্ত।  ⁠২০১৩ সাল থেকে ‘সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজে’ স্টুডেন্টস ইউনিয়নের জিএস হন। ⁠তারপর সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজের গভর্নিং মেম্বার। ⁠২০১৫ সালে রাজ‍্য যুব উৎসবের কনভেনর হন। অভিযোগ ⁠সুকান্ত চক্রবর্তীকে সরিয়ে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের চাপে TMCP মধ‍্য কলকাতা সভাপতি হন। এরপর ⁠সুরেন্দ্রনাথ ল কলেজে SACT অধ‍্যাপক হন।

এখানে উল্লেখ্য, সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ইউনিয়ন রুমের আলমারি থেকে মঙ্গলবার পাওয়া গেল লক্ষ-লক্ষ উই ধরা টাকা। কলেজের ইউনিয়ন রুম থেকে দুই ব্যাগ ভর্তি উইয়ে খাওয়া টাকা উদ্ধারের ঘটনায় শোরগোল পড়েছে। তৃণমূলকে নিশানা করে কলেজের তৃণমূল ছাত্রনেতাদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ।

কী বলেছেন সজল?

তিনি বলেন, “আর কী দেখতে হবে এই জীবনে সেটাই ভাবছি। আমরা দেখলাম পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবীর ঘরে টাকার ভান্ডার। তৃণমূল নেতার পাটখেতে টাকা। এবার ইউনিয়ন রুমে আলমারির ভেতর লাখ লাখ টাকা। সেটা উইয়ে খেয়েছে। কত টাকা থাকলে টাকা উইয়ে খায়? এর আগে আমি দেখিয়েছিলাম, এই কলেজের ফাংশন ফান্ডে এখনও দেড় কোটি টাকার বেশি রয়েছে। এই টাকা জনতার টাকা। ছেলেদের ভর্তির টাকা। টাকা নিয়ে যেমন চাকরি হয়েছে। তেমনই এইসব কলেজে কোটি টাকার বিনিময়ে ভর্তি হয়েছে। এতে মাথা থেকে পা পর্যন্ত জড়িত। পুলিশ কোনওদিন এদের কেশাগ্র স্পর্শ করেনি। তাই বলছি, এদের দ্রুত গ্রেফতার করা হোক।”

 

Follow Us