
কলকাতা: গোটা দেশে ভিবি জিরামজি আইন কার্যকর হতে চলেছে আগামী ১ জুলাই। তার আগে সম্প্রতি কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের রাষ্ট্রীয় গ্রামীণ বিকাশ সম্মেলনে যোগ দিতে দিল্লি গিয়েছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বৈঠকের শেষে তিনি জানান, আগামী একমাসের মধ্যে নোটিফিকেশন জারি করা হয়ে যাবে। তবে কারা বাদ পড়বেন, সে কথাও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
এসআইআইআরে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁরা ভিভি জিরাম জি বা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না বলে জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, “এরা আমাদের দেশের লোক নয়। কিন্তু ওই বিভিন্ন তালিকায় রয়ে যাওয়ায় এত দিন এরা সরকারি সুবিধা ভোগ করছিলেন। এবার তাঁদের নাম বাদ দিতে হবে।”
আগে যে দুর্নীতি হয়েছে, তার তদন্ত হবে বলেও জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। জিরামজি প্রকল্পে ৪০ শতাংশ খরচ বহন করতে হবে রাজ্যকে। এই প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষের দাবি বাজেটে যথেষ্ট বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র, ফলে রাজ্যে টাকার সমস্যা হবে না।
কেন্দ্রীয় সরকার এই জিরামজি প্রকল্পের জন্য ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি টাকা বরাদ্দ ঘোষণা করেছে আগেই। ২০৪৭ সালের ‘বিকশিত ভারত’-এর লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন প্রকল্পের কাঠামো তৈরি করা হয়েছে।
গ্রামীণ ভারতে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের নাম ছিল ‘মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপাওয়ারমেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট, ২০০৫’ (মনরেগা)। পরে বদলে করা হয়েছে ‘ভিবি জিরামজি’। নতুন আইন অনুযায়ী, দেশের সব রাজ্যের শ্রমিকরাই এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের ১৫ দিনের মধ্যে তাঁরা যদি কাজ না পান, তাহলে নির্দিষ্ট হারে বেকার ভাতা পাবেন শ্রমিকরা।