
কলকাতা: এবার সরাসরি এনকাউন্টার করার কথা গ্রামোন্নয়ন ও পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের মুখে। গুন্ডাগিরি-তোলাবাজি রুখতে এবার সরাসরি অভিযুক্তদের এনকাউন্টার কথা বললেন দিলীপ। মূলত খড়্গপুরের গুন্ডা-মাফিয়ারাজ বন্ধ করতেই এই কথা বলেন তিনি।
ঠিক কোন প্রসঙ্গে এনকাউন্টারের কথা বললেন দিলীপ ঘোষ?
খড়্গপুরের একটি অনুষ্ঠানে দিলীপ বলেন, “গুন্ডা-মাফিয়াদের দমন করতে কঠোর হতে হবে পুলিশকে। কাউকে ছাড়া হবে না। পুলিশ একেবারে তাড়া করে করে ধরছে পাতাখোরদের। আর যদি দরকার হয় এনকাউন্টার হবে। বারুইপুরে যেমন হয়েছে।” তিনি আরও বলেন, “খড়্গপুরের মানুষ শান্তিতে থাকতে চান। আমরা মানুষকে শান্তি দিতে চাই। কেউ যেন থ্রেট না দেয়, ঘরে ঢুকে অত্যাচার না করে। পুলিশ যেন কোনও পার্টির ক্যাডার না হয়ে কাজ করে। এই ধরনের অভিযোগ উঠলে সরাসরি আমাদের জানাবেন, সমাধান করব। আশপাশের রাজ্য থেকে এসে গুন্ডারা দাপিয়ে বেড়িয়েছে। এবার পুলিশ শক্ত হাতে ধরেছে। গুন্ডা-মাফিয়াদের বাড়াবাড়ির থেকে পুলিশের বাড়াবাড়ি ভাল।”
প্রসঙ্গত, বারুইপুরে এক নাবালিকাকে গণধর্ষণের ঘটনায় এক অভিযুক্তকে এনকাউন্টার করে পুলিশ। ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। সেখান থেকে অভিযুক্ত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এমনকি গুলিও চালায়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে এনকাউন্টার করে বলে দাবি।
দিলীপ ঘোষ সে প্রসঙ্গ উত্থাপন করেই বলেছেন, বাংলায় একেবারে দুর্নীতি ও গুন্ডামুক্ত করতে এই এনকাউন্টার আবারও হতে পারে! যদিও এই নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চর্চা।
কংগ্রেস নেতা আধার চৌধুরী বলেন, “যারা কথায় কথায় বলছে ট্রিগার দাবিয়ে দাও, তারা কিনা সরকার চালাচ্ছে! এটা ভাবা যায়।”