Meat Shop: ১১০০ টাকায় কেন বিক্রি হচ্ছে খাসির মাংস? প্রশ্ন করতেই বাঁশদ্রোণীতে তুলকালাম
Enforcement Branch: রবিবার 'নূর মিট শপ' নামের ওই দোকানে তদন্তে গেলে আধিকারিকদের মারার ভঙ্গিতে তেড়ে যান এবং তাঁদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ওই মাংসের দোকানে বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি দামে খাসির মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল।

কলকাতা: ভরদুপুরে মাংসের দোকানে তুমুল বচসা। এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ (EB)-এর আধিকারিকদের সঙ্গে বচসা বাঁধল মাংসের দোকানের মালিকের। অন্যান্য় খাসির মাংসের দোকানের তুলনায় ওই মাংসের দোকানে বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ ওঠে। পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখতে ওই দোকানে যান ইবি আধিকারিকরা। সেখানেই কথা কাটাকাটি শুরু হয়ে যায়।
বাঁশদ্রোণী মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন এক মাংসের দোকানে হানা দিয়ে চরম হেনস্থার শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ ইবি আধিকারিকদের। অন্যদিকে, ব্যবসায়ীর অভিযোগ, তাঁকে কম টাকায় মাংস বিক্রি করতে বলা হয়। কিন্তু গুণগত মানের জন্য বেশি দাম নিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
রবিবার ‘নূর মিট শপ’ নামের ওই দোকানে তদন্তে গেলে আধিকারিকদের মারার ভঙ্গিতে তেড়ে যান এবং তাঁদের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ উঠেছে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। সূত্রের খবর, ওই মাংসের দোকানে বাজারদরের চেয়ে অনেক বেশি দামে খাসির মাংস বিক্রি করা হচ্ছিল। আগে থেকেই এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের কাছে খবর ছিল। অভিযোগ ছিল, সেখানে প্রতি কেজি মটন ১১০০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছিল।
এই খবর পেয়েই এদিন এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ, কলকাতা পুরনিগম এবং খাদ্য দফতরের আধিকারিকরা যৌথভাবে ওই দোকানে পরিদর্শনে যান। তদন্তকারী দল দোকানে পৌঁছে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ব্যবসায়ীর দাবি, তিনি দাম কমিয়ে ৮০০ বা ৯০০ টাকা করে দিতে পারেন, কিন্তু মাংসের মান ভালো হবে না।
