
সুপ্রিয় গুহ ও কমলেশ চৌধুরীর রিপোর্ট
কলকাতা: প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টার জিজ্ঞাবাদ। আর তারপর গ্রেফতার রাজ্যের প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। পুর নিয়োগ দুর্নীতিতে (Municipality Recruitment Scam) একাধিক অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। মূলত, ২০২৩ সালে নিয়োগ মামলায় অয়ন শীলকে (Ayan Shil) গ্রেফতার করেছিল গোয়েন্দারা। অয়নের বাড়িতেই পুর নিয়োগ দুর্নীতির হদিশ পায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেদিনই ইডি আধিকারিকরা বলেছিলেন, ‘সোনার খনি’র সন্ধান মিলেছে..’ কার্যত, তখনই বুঝতে বাকি থাকে না গোয়েন্দাদের।
এরপর ইডি সল্টলেক সেক্টর ফাইভে ছেলে সমুদ্র বসুর রেস্তোঁরায় তল্লাশি যায়। গোয়েন্দাদের সন্দেহ হয়, কোনও খাবার টেবিল, কিচেন ছাড়াই রেস্তোরাঁ কীভাবে চলছে? সেই রেস্তোঁরার আড়ালে কালো টাকা সাদা করতেন মন্ত্রী,দাবি ইডির আধিকারিকদের।
এখানেই শেষ নয়, তারাতলায় সুজিত ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর অফিসে তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছিল তিন কোটি টাকা পান গোয়েন্দারা বলে খবর। দু’য়ে-দু’য়ে চার করা শুরু করেন গোয়েন্দারা।
পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতিতে সিবিআইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে ECIR করে ইডি।
ঘটনাক্রম