
কান্দি: প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা (Jibankrishna Saha) তথ্য় লুকোতে ফোন ফেলে দিয়েছিলেন জলে। এবার সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে মনে করছেন ইডি আধিকারিকরা (ED)। দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস (Santanu Sinha Biswas)। জীবনকৃষ্ণের মতো তিনিও কি পুকুরে ফোন ফেলে দিয়ে তথ্য গোপন করতে চাইছেন ? জলে ফেলে দিয়েছেন নিজের দু’টি ফোন? আশঙ্কা প্রকাশ ইডি আধিকারিকদের (ED)।
মুর্শিদাবাদের কান্দিতে রয়েছে শান্তনুর রাজপ্রসাদ। আগেই সেখানে গিয়ে তল্লাশি চালিয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে, শান্তনুর দু’টি মোবাইলের খোঁজ মিলছে না। আর তাই সেই দুই মোবাইলের সন্ধানে ইডি আধিকারিকরা। সেই কারণে, কান্দিতে শান্তনুর প্রাসাদ লাগোয়া পুকুরে হতে পারে তল্লাশি। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে এই পুকুরেই ফোন থাকতে পারে।
রাজ্যে সরকার বদলের পর ইডি-র হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। তাঁর বিরুদ্ধে জমি দখল থেকে তোলাবাজির মতো অভিযোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, অনেক পুলিশের বদলির বিষয়ও নাকি কন্ট্রোল ছিল তাঁরই হাতে। মূলত জমি দখল ও অবৈধ নির্মাণের নেক্সাস চালানোর অভিযোগ উঠেছে শান্তনুর বিরুদ্ধে। তাঁর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে পাওয়া তথ্যেই উঠে এসেছে সেই নেক্সাসের বিষয়টি। অভিযোগ, ব্যবসায়ী জয় কামদার ও সোনা পাপ্পুর সঙ্গে মিলে কাজ করতেন শান্তনু।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের বুকে বয়স্ক নাগরিকদের বাড়ি কিংবা পুরনো বাড়ির মালিকদের পুলিশ মারফত চিহ্নিত করত সিন্ডিকেট। কম দামে সম্পত্তি বিক্রিতে রাজি না হলে শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের নির্দেশে নিকটবর্তী থানায় দায়ের হত মিথ্যা মামলা। তারপর চলত হুমকি।