
কলকাতা: রাজ্যজুড়ে ‘ডিমা’ঘাতে’ কাবু প্রাক্তন, বর্তমান জনপ্রতিনিধিরা। ডিম নিয়ে আক্রমণ, হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের আইনজীবী অতীন্দ্র চৌধুরী’র।
মামলায় যুক্ত করা হয়েছে বিধায়ক কুণাল ঘোষকে। এই হেনস্থা কেন, বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান চেয়ে আবেদন। হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন জনস্বার্থ মামলাকারীর। আগামী সপ্তাহে মামলার শুনানি সম্ভাবনা।
মামলকারীর প্রশ্ন, প্রকাশ্য রাস্তায় বা কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের ওপর এই ধরনের ক্রমাগত হেনস্থা কেন করা হচ্ছে? বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে গোটা ঘটনার একটি নিরপেক্ষ বিচারবিভাগীয় অনুসন্ধান চেয়ে আবেদন জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে, প্রকাশ্য স্থানে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এবং এই ধরনের অনভিপ্রেত আক্রমণ রুখতে হাইকোর্টের জরুরি হস্তক্ষেপও চাওয়া হয়েছে।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে ট্রেন্ডটা শুরু হয়েছিল। সোনারপুরে আক্রান্ত কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হতে হয়েছিল তাঁকে। জনরোষ আছড়ে পড়েছিল তাঁর ওপর। প্রচুর ডিম ছোড়া হয়েছিল বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝ থেকে। ভোট পরবর্তী নতুন বাংলায় এটাই ‘ডিম থেরাপি’র প্রথম এপিসোড। সেই অধ্যায়ে যোগ হয়েছে একের পর এক নেতা-প্রাক্তন বিধায়ক, জনপ্রতিনিধির নাম। নয়াতম সংযোজন কুণাল ঘোষ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়ির সামনেই তাঁকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়া হয়। তাতে গ্রেফতারও হয় অভিযুক্ত। ডিম ছোড়ার ঘটনায় মূলত এটাই প্রথম গ্রেফতারি। কিন্তু নতুন যে নতুন প্রবণতা তৈরি হয়েছে, আইনি হস্তক্ষেপের পর তাতে রাশ টানতেই এই মামলা।