
কলকাতা: রাজ্যে ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। যাঁরা আবেদন করে ফেলেছেন, তাঁদের জুন মাস থেকেই দেওয়া হচ্ছে টাকা। এখনও আবেদন করার সময় রয়েছে মহিলাদের হাতে। সম্প্রতি বাজেট পেশ করতে গিয়ে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের বরাদ্দের পরিমাণও বলে দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ও অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের তফাৎ বোঝালেন অর্থমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার বাজেট অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বপন দাশগুপ্ত উল্লেখ করেন, ৬০ হাজার কোটি টাকা কেন্দ্র থেকে আনা সম্ভব হয়েছে। তার জন্য কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্বপন দাশগুপ্ত। তাঁর দাবি, এমন কিছু প্রকল্পের কথা বাজেটে বলা হয়েছে, যার নাম পর্যন্ত বাংলার মানুষ জানতেন না।
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার আর অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফিলোজফি আলাদা। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার একটি ইউনিভার্সাল স্কিম ছিল। আমার স্ত্রীও বলতে পারত, পকেটমানি প্রয়োজন, এটা নিচ্ছি। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ক্ষেত্রে, যাঁদের এটা সবথেকে বেশি দরকার, তাঁদের দেওয়া হবে।”
প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডারের জন্য। হিসাব বলছে এক কোটির বেশি মহিলা অন্নপূর্ণা ভান্ডার পাবে। লক্ষ্মীর ভান্ডারের থেকে তা ১ কোটি ২০ লক্ষের মতো কম। কেন সংখ্যাটা কমল? এই প্রশ্নের উত্তরে TV9 বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, যাঁরা আগে লক্ষ্মীর ভান্ডার পকেট মানি হিসাবে নিচ্ছিলেন তাঁরা এখন হয়ত বাদ চলে গিয়েছেন।