Kolkata News: মেটিয়াবুরুজ-যাদবপুর-টলিগঞ্জের EVM রাখা জায়গায় আগুন লাগল কীভাবে? তদন্ত শুরু
যদিও বর্তমানে তিনি STF-এর হেফাজতে। তবে গতকালের আগুন লাগার ঘটনায় তৈরি হয়েছে জল্পনা। অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠছে। তবে কি নথি নষ্টের ছক? উঠছে প্রশ্ন। পাপ ঢাকতেই এই কাজ করা হয়েছে, বিস্ফোরক বিজেপি নেতা রাকেশ সিং।
কলকাতা: আলিপুরে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের অফিসে আগুন। আর এই অফিসেই কাজ করতেন জাহাঙ্গির খান। যদিও বর্তমানে তিনি STF-এর হেফাজতে। তবে গতকালের আগুন লাগার ঘটনায় তৈরি হয়েছে জল্পনা। অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠছে। তবে কি নথি নষ্টের ছক? উঠছে প্রশ্ন। পাপ ঢাকতেই এই কাজ করা হয়েছে, বিস্ফোরক বিজেপি নেতা রাকেশ সিং।
কী কী অভিযোগ?
গতকাল অর্থাৎ বুধবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের বহুতলে কালো ধোঁয়া দেখতে পান এলাকার বাসিন্দারা। দ্রুত খবর দওয়া হয় দমকলে।
প্রথম ধোঁয়া দেখা যায় রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ। চারতলায় যেখান থেকে ধোঁয়া বেরতে দেখা গিয়েছিল, সেখানেই রয়েছে কনফারেন্স রুম। যে সময় আগুন লেগেছিল, সেই সময় বন্ধ ছিল কনফারেন্স রুম।
এরপর ১১টা বেজে ৫০ মিনিট নাগাদ আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে বলে জানানো হয় দমকলের তরফে।
দমকল আগুন নেভানোর কাজ শুরুতেই বিল্ডিংয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ফের আগুন দেখা যায়। সেই সময় আগুন দেখা যায় ৯ এবং ১০ তলায়। সেটাকে দমকলের দাবি, ‘আনইউজুয়াল ফায়ার ‘।
৯ তলায় রয়েছে মিড ডে মিল সেকশন। আর ১০ তলায় রয়েছে আলিপুর সদরের স্ট্রং রূম: যার মধ্যে ছিল কসবা, যাদবপুর,বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মেটিয়াবুরুজ, টালিগঞ্জ কেন্দ্রের EVM।
চার তলার আগুন কীভাবে ছড়িয়ে পড়লো নয় ও দশতলায় তার কোনও ‘ট্রাভেল রুট’ পাওয়া যায়নি বলেই দমকল সূত্রে খবর।
মাঝে ৬-৭-৮ তলায় সেই অর্থে খয় ক্ষতি নেই, কীভাবে আগুন ৯-১০ তলায় লাগাল যেখানে বিদ্যুত বন্ধ ছিল যেখানে ইলেকট্রিক বন্ধ ছিল? থাকছে প্রশ্ন