সল্টলেকে ভয়াবহ আগুন। এফ-ডি (FD Block) অস্থায়ী বাজারে আগুন লেগেছে। পুড়ে ছাই বেশ কয়েকটি দোকান। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। এখনও পর্যন্ত আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি।
ওই ফুলের দোকানের মালিক দেবপ্রসাদ পুরকাইত বলেন, “আমি চিংড়িহাটা থাকি। আমার দোকানে প্রায় ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার সামগ্রী মজুত ছিল। সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনি আগুন ধরে গেছে। তবে কীভাবে ধরল বুঝতে পারছি না।”
আগুন নেভানোর কাজ চলছে এখনও। ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যে পৌঁছেছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তিনি বলেন, “যা সোনা যাচ্ছে একটি ডেকরেটার দোকান থেকে আগুন লাগে। এরপর অনেক বাঁশ ও দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। মোট ১২টি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।”
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “এখানে একটা ফুলের গোডাউন ছিল। সেখানেই প্রথমে আগুন লাগে। তারপর ধীরে ধীরে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। যেহেতু দোকানগুলি বাঁশ-কাঠ দিয়ে তৈরি সেই কারণে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সকালে দমকলে ফোন করেছিলাম। আধ ঘণ্টার মতো দেরী করেছে আসতে। আমরাই আগুন নেভানোর কাজ শুরু করি।”
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, পৌরসভার জঞ্জাল বিভাগের ভোলানাথ পাইক নামে এক কর্মী আহত হয়েছেন।
ইতিমধ্যে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, “হঠাৎ করে একটি ফুলের দোকান থেকে আগুন বেরতে দেখেন তাঁরা। শীতকালের উত্তরে হাওয়া দোসর দাহ্য পদার্থ ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।”
প্রাথমিকভাবে এলাকাবাসী আগুন নেভানোর কাজে হাত দেন। খবর দেওয়া হয় দমকলেও। তাঁরাই আগুন নেভানোর কাজ চালাচ্ছেন। আগুন বাড়তে থাকায় একে-একে ১০ ইঞ্জিন পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, দোকানগুলিতে প্রচুর পরিমাণে দাহ্য পদার্থ মজুত থাকায় আগুনের লেলিহান শিখা গ্রাস করেছে একের পর এক দোকানগুলিতে।
বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটে। আচমকা স্থানীয় বাসিন্দারা দেখতে পান কালো ধোঁয়া। ঘটনাস্থলে যেতেই দেখেন দাউ-দাউ করে জ্বলছে অস্থায়ী ওই বাজারটি।