Firhad Hakim On Governor: ‘হাউ ডেয়ার ইউ…মোটা লোকটার কথায় উঠছেন, বসছেন’, রাজ্যপালকে যা-তা কথা ফিরহাদের

Firhad Hakim On C V Ananda Bose: এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাজ্য়পাল সি ভি আনন্দ বোসকে কার্যত একহাত নিলেন তিনি। জানালেন, এটা একটা স্বাভাবিক নিয়ম। কোনও জটিলতা নেই। শুধু-শুধু ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে।

Firhad Hakim On Governor: হাউ ডেয়ার ইউ...মোটা লোকটার কথায় উঠছেন, বসছেন, রাজ্যপালকে যা-তা কথা ফিরহাদের
রাজ্যপালকে তোপ ববিরImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 24, 2024 | 4:16 PM

কলকাতা: একমাস হতে চলল বরাহনগর বিধানসভার উপনির্বাচনে লড়ে জয়ী হয়েছেন তৃণমূলের সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রাজভবন থেকে শপথবাক্য পাঠ নিয়ে ‘গ্রিন সিগন্যাল’ না আসায় পরিষেবা দিতে পারছেন না তিনি। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। রাজ্য়পাল সি ভি আনন্দ বোসকে কার্যত একহাত নিলেন তিনি। জানালেন, এটা একটা স্বাভাবিক নিয়ম। কোনও জটিলতা নেই। শুধু-শুধু ইস্যু তৈরি করা হচ্ছে।

আজ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সায়ন্তিকা। ছিলেন ফিরহাদও। সেই বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য়পাল সি ভি আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দেন রাজ্যের মন্ত্রী। বলেন, “আমি নিজে ২০০৯ সালে এই বিধানসভার উপনির্বাচনে জিতেছিলাম। ভোট হল। তৎকালীন অধ্যক্ষ রাজ্যপালের অনুমতি নিলেন। রেজাল্টের সাত-আটদিন পর শপথ হয়ে গেল।” তাঁর আরও সংযোজন, “প্রতিবার অসভ্যতা করেন উনি। অধ্যক্ষের অধিকার খর্ব করছেন। গায়ের জোরে কেন্দ্রীয় সরকারের মোটা লোকটার কথায় উঠছেন বসছেন।”

এখানেই শেষ নয়, রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ওঠা নারী নির্যাতন বিতর্কের কথাও মনে করিয়ে দেন ববি। ক্ষুব্ধ মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যপালের চরিত্রের ঠিক নেই। আমি ওঁর জায়গায় থাকলে রিজাইন করতাম।” ফিরহাদ বলেছেন, “রাজ্যপাল নির্বাচিত জন প্রতিনিধি অধ্যক্ষকে অসম্মান করছেন। আমরা নির্বাচিত। আর আপনি মনোনিত। আমাদের দর অনেক বেশি। হাউ ডেয়ার ইউ স্টপ আওয়ার ওথ? স্পিকারের অধিকার শপথবাক্য পাঠ করানো। দিনের পর দিন চলে আসেছে। বিধানসভার নিয়ম বিধায়ক স্পিকারের সান্নিধ্যে থাকবে।”

রাজ্যের মন্ত্রীর কথায়, “কাকে অপমান করছেন? আপনি মানুষকে অপমান করছেন। শপথ না নেওয়া পর্যন্ত কাজ করতে পারবে না ওরা। কে রাজ্যপাল? কীসের রাজ্যপাল? ওঁর ক্ষমতা আছে মানুষের রায়ের বিরুদ্ধে যাওয়ার? কোনও কারণ নেই ইস্যু বানানোর।”

প্রসঙ্গত, বরাহনগরের তৃণমূল বিধায়ক সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভগবানগোলার নির্বাচিত বিধায়ক রেয়াত হোসেন সরকারের শপথ গ্রহণ ঘিরে বেশ কয়েকদিন ধরে রাজ্য-রাজভবনের জটিলতা চলছে। চালাচালি হচ্ছে দু’তরফের মধ্যে চিঠি। আজ শপথ বাক্য পাঠ নিয়ে সায়ন্তিকা রাজ্যপালকে চিঠি পাঠালে সেই চিঠি গ্রহণ করেন সি ভি আনন্দ বোস। তবে এই সবের মধ্যে আটকে গিয়ে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। এর আগে ধূপগুড়ি উপনির্বাচনে জয়ী তৃণমূলের নির্মল চন্দ্র রায়ের শপথ গ্রহণ ঘিরেও তৈরি হয়েছিল জটিলতা। তাঁর শপথ সংক্রান্ত ফাইল ফেলে রাখার অভিযোগ তুলেছিল শাসকশিবির। পরে যদিও রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্মল রায়কে শপথ বাক্য পাঠ করান।

Follow Us