
কলকাতা: বৃহস্পতিবার সকালে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছিলেন, ‘কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে আসবে’। মুখ্যমন্ত্রী কড়া বার্তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেই কালী-কে তুলে নিল পুলিশ। তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় সিট গঠন করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, এবার সেই সিটের জালেই প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) প্রাক্তন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalicharan Banerjee)। প্রথমে তাঁকে আটক করা হয়েছিল। পরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর।
ফিরহাদ হাকিমের ‘ঘনিষ্ঠ’ বলেই পরিচিত কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। যখন মেয়র ছিলেন ফিরহাদ, তখন তাঁর পাশে পাশেই থাকতেন কালীচরণ। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খোদ অভিযোগ তুলেছেন,’কালী না বললে কোনও প্ল্য়ানে অনুমোদন হয় না।’ অর্থাৎ, তারাতলার বিল্ডিং নির্মাণে প্ল্যান পাশ করানোর ক্ষেত্রে ভূমিকা রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ অনুযায়ী, বিল্ডিংয়ের প্ল্যানের অনুমোদনপত্রে সই রয়েছে ফিরহাদ হাকিমের। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কালীচরণকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। সূত্রের খবর, বিল্ডিং প্ল্যানে কেন অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, সেই সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পরে গ্রেফতার করা হয়।
তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় বিধানসভার অধিবেশনে একটি নথি দেখিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন,“প্রাক্তন মেয়র জড়িত। দেখুন মাননীয় ফিরহাদ হাকিমের সই। দেখুন কীভাবে স্ট্রাকচারে ডিফেক্ট থাকা অবস্থাতেও প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করেছেন।” মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে আসে ‘কালী’র নাম। তিনি বলেন,”কালীকে তুললেই সব হয়ে যাবে। KMC তে কালী না বললে কোনও প্ল্যান হয় না। আর কালী ক্যামাক স্ট্রিটের দ্বারা নিযুক্ত।” যদিও কুণাল ঘোষের দাবি, কালীকে অপসারণের জন্য ক্যামাক স্ট্রিট উদ্যোগ নিয়েছিল । তাঁকে ক্যামাক স্ট্রিট সমর্থন করে না । এটা ভুল।