JU: ‘যাদবপুর ভারতের বাইরে নয়…’, বিক্ষোভকারীদের ‘তালিবান-দুষ্কৃতী’ বললেন প্রাক্তন VC

Jadavpur University: যাদবপুরে এই ঘটনা যে নতুন নয়, সে কথা আরও একবার মনে করান প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি বলেন, "আমি মনে করি পুলিশের আগে থেকে খবর রাখা উচিত ছিল। এই ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য,বাবুল সুপ্রিয়োর সঙ্গেও ঘটেছিল।"

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Mar 06, 2025 | 12:11 PM

কলকাতা: তাঁর আমলে ‘হোক কলরব’-এর মতো আন্দোলন দেখেছিল গোটা বাংলা। যদিও, ‘হোক কলরব’ নয় এটা তিনি ব্যঙ্গ করে ‘জোক কলরব’ বলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সেই উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে। বলছেন,যাঁরা করেছে তাঁরা ছাত্র নয়,দুষ্কৃতী। আর তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেছেন, “ধারাবাহিক ভাবে একের পর এক বিশৃঙ্খলা তৈরি করে যাচ্ছে। আমি মনে করি কোনও পাকা মাথার কাজ। আইনের সাহায্য নিয়ে এদের মুখোশ খুলে দেওয়া উচিত।”

এক সময় ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন কম অশান্তি হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেন। আজও সেই পুলিশের পক্ষেই সওয়াল করলেন প্রাক্তন ভিসি। তিনি বলেন, “কর্তৃপক্ষকে আরও কড়া হতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। চাপের কাছে মাথা নত করা যাবে না। আইনে যা বলা আছে তা নিয়ে চলতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৪-২০১৫-তে যা নির্দেশ দিয়েছিল সেই নির্দেশ মানতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশ ঢুকবে। তার জন্য লজ্জার কিছু নেই। আর যারা আইনের বিরুদ্ধে যাবে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”

যাদবপুরে এই ঘটনা যে নতুন নয়, সে কথা আরও একবার মনে করান প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি বলেন, “আমি মনে করি পুলিশের আগে থেকে খবর রাখা উচিত ছিল। এই ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য,বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গেও ঘটেছিল। জগদীপ ধনখড়ের সময়ও স্লোগান দিয়েছিল। গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখায়। এটা সীমাহীন স্পর্ধা। পুলিশের খেয়াল রাখা উচিৎ ছিল। একজন সরকারের নির্বাচিত মন্ত্রীকে যথাপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়া উচিত।”

এরপর তিনি বলেন, “ব্রাত্য বসু রাজ্যের একজন মন্ত্রী। তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করার অধিকার কারও নেই। তাঁর সঙ্গে মতের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের গাড়িতে উঠে নাচানাচি করব,ভয় দেখাব, কাচ ভাঙব। এরপর তার চালক যখন ভয়ে পালিয়ে যেতে চাইবে, তখন যদি কারও গায়ে লেগে গিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে চলে যাব। এই তালিবানি মানসিকতার নিন্দা করি।”

অভিজিৎবাবু বলেন, “যাদবপুরে র‌্যাগিং-কাণ্ডের পর পুলিশ ঢুকতে বাধা দেয় ছাত্ররা। কিন্তু আমার চোখে ওরা দুষ্কৃতী। ভারতে আইন আছে। যাদবপুর ভারতের মধ্যেই রয়েছে। তাই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এদের মাথা কে সেটা জেনে আইনে পথে চলতে হবে।”

 

 

 

কলকাতা: তাঁর আমলে ‘হোক কলরব’-এর মতো আন্দোলন দেখেছিল গোটা বাংলা। যদিও, ‘হোক কলরব’ নয় এটা তিনি ব্যঙ্গ করে ‘জোক কলরব’ বলেন। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন সেই উপাচার্য অভিজিৎ চক্রবর্তী মুখ খুললেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে। বলছেন,যাঁরা করেছে তাঁরা ছাত্র নয়,দুষ্কৃতী। আর তাঁদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তিনি বলেছেন, “ধারাবাহিক ভাবে একের পর এক বিশৃঙ্খলা তৈরি করে যাচ্ছে। আমি মনে করি কোনও পাকা মাথার কাজ। আইনের সাহায্য নিয়ে এদের মুখোশ খুলে দেওয়া উচিত।”

এক সময় ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন কম অশান্তি হয়নি। ছাত্র-ছাত্রীদের একাংশ তুমুল বিক্ষোভ শুরু করেন। আজও সেই পুলিশের পক্ষেই সওয়াল করলেন প্রাক্তন ভিসি। তিনি বলেন, “কর্তৃপক্ষকে আরও কড়া হতে হবে। ভয় পেলে চলবে না। চাপের কাছে মাথা নত করা যাবে না। আইনে যা বলা আছে তা নিয়ে চলতে হবে। কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৪-২০১৫-তে যা নির্দেশ দিয়েছিল সেই নির্দেশ মানতে হবে। প্রয়োজনে পুলিশ ঢুকবে। তার জন্য লজ্জার কিছু নেই। আর যারা আইনের বিরুদ্ধে যাবে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।”

যাদবপুরে এই ঘটনা যে নতুন নয়, সে কথা আরও একবার মনে করান প্রাক্তন উপাচার্য। তিনি বলেন, “আমি মনে করি পুলিশের আগে থেকে খবর রাখা উচিত ছিল। এই ঘটনা মুখ্যমন্ত্রীর বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য,বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গেও ঘটেছিল। জগদীপ ধনখড়ের সময়ও স্লোগান দিয়েছিল। গাড়ি আটকে বিক্ষোভ দেখায়। এটা সীমাহীন স্পর্ধা। পুলিশের খেয়াল রাখা উচিৎ ছিল। একজন সরকারের নির্বাচিত মন্ত্রীকে যথাপযুক্ত নিরাপত্তা দেওয়া উচিত।”

এরপর তিনি বলেন, “ব্রাত্য বসু রাজ্যের একজন মন্ত্রী। তাঁকে শারীরিক নিগ্রহ করার অধিকার কারও নেই। তাঁর সঙ্গে মতের মিল নাও হতে পারে। কিন্তু একজন মানুষের গাড়িতে উঠে নাচানাচি করব,ভয় দেখাব, কাচ ভাঙব। এরপর তার চালক যখন ভয়ে পালিয়ে যেতে চাইবে, তখন যদি কারও গায়ে লেগে গিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে চলে যাব। এই তালিবানি মানসিকতার নিন্দা করি।”

অভিজিৎবাবু বলেন, “যাদবপুরে র‌্যাগিং-কাণ্ডের পর পুলিশ ঢুকতে বাধা দেয় ছাত্ররা। কিন্তু আমার চোখে ওরা দুষ্কৃতী। ভারতে আইন আছে। যাদবপুর ভারতের মধ্যেই রয়েছে। তাই আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। এদের মাথা কে সেটা জেনে আইনে পথে চলতে হবে।”

 

 

 

Follow Us