খুব প্রয়োজন না হলে দুপুরে বাড়ির বাইরে না বেরোনো ভাল। সকাল সকাল কাজ সেরে ফেলার পরামর্শ দিচ্ছে।
জল সঙ্গে থাক। লবনে কোনও সমস্যা না থাকলে অল্প পরিমাণে তাও মিশিয়ে নিতে পারেন জলে।
পাতলা, ঢিলেঢালা পোশাক, বিশেষ করে হালকা রঙ, সুতির পোশাক পরতেই পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।
গরমে কাজ করতে গিয়ে মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, বমির ভাব, মাথার যন্ত্রণা, জ্বর ভাব হলে ঠান্ডা জায়গায় গিয়ে বসুন। শুয়েও বিশ্রাম নিতে পারলে আরও ভাল। মাথায়, মুখে, ঘাড়ে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন।
কী করবেন না
অতিরিক্ত চা-কফি না খাওয়াই ভাল। বোতলের ঠান্ডা পানীয়, মদ্যপান থেকেও দূরে থাকা দরকার। কারণ এতে জলকোষে জলশূন্যতার ঝুঁকি বাড়ে। বদলে লস্যি, কম মিষ্টি দেওয়া সরবত, মরসুমি ফল খাওয়া ভাল।
আরও একটি বিষয়ে সতর্ক করছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর। গাড়িতে কোথাও গেলে বাচ্চাদের একেবারেই গাড়িতে বসিয়ে রেখে কোথাও যাওয়া উচিত হবে না।
হঠাৎ কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে
প্রচণ্ড গরমে কেউ আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়লে ঠান্ডা জায়গায় নিয়ে গিয়ে শুইয়ে দিন। জ্ঞান থাকলে ওআরএস পাউডার জলে মিশিয়ে খাওয়ান। মাথায় ঘাড়ে ঠান্ডা জল দিন। তবে বরফ জল নয়। মুখে, শরীরে জোরে জোরে বাতাস করুন। দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করুন।