
কলকাতা: বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে আলোয় সেজে ওঠে হাওড়া ব্রিজ। রং-বেরঙের আলোকসজ্জায় ঝলমলে হয়ে ওঠে ঐতিহ্যবাহী সেতু। এরপর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন উৎসবমুখর দিনে এভাবেই সেজে উঠবে হাওড়া ব্রিজ। প্রায় ২২ কোটির বেশি খরচ করে হাওড়া ব্রিজে ডায়নামিক আর্কিটেকচারাল ইলুমিনেশন আনা হয়েছে।
ডায়নামিক আর্কিটেকচারাল ইলুমিনেশন
প্রকল্পের মূল্য: জিএসটি-সহ ২২ কোটি ৩৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৩০৩ টাকা ৩৮ পয়সা।
প্রযুক্তিগত পরামর্শদাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়।
হাওড়া ব্রিজের বিভিন্ন অংশে ডায়নামিক আর্কিটেকচারাল লাইটিং করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে—
1. ব্রিজের দক্ষিণ দিকের প্রোফাইল, ক্রাউন-সহ আলোকসজ্জা।
2. ব্রিজের সম্পূর্ণ স্কেলেটাল সারফেসে আলোকসজ্জা।
3. ব্রিজের সম্পূর্ণ কাঠামো বা ভলিউম আলোকিত করা।
4. মূল পাইলনগুলিতে বিশেষ আলোকসজ্জা।
১২০ ওয়াট লিনিয়ার লাইট: ৯০০টি
৩০০ ওয়াট ফ্লাডলাইট: ৩৩৬টি
৪২৫ ওয়াট ফ্লাডলাইট: ১৩৬টি
৩০ ওয়াট স্কেলেটাল লিনিয়ার লাইট: ২,৩০০টি
৩০ ওয়াট প্রোফাইল ও ক্রাউন লাইট: ১২১টি
৪৫০ ওয়াট মনোকালার লাইট: ৩২টি
মোট লুমিনিয়ার: ৩,৮২৫টি
মোট বিদ্যুৎ খরচ: ৩৮৫ কিলোওয়াট
এই ডায়নামিক লাইটিংয়ের মাধ্যমে সিঙ্ক্রোনাইজড সাউন্ড বা শব্দের সঙ্গে সমন্বয় করে আলোর বিভিন্ন শো দেখানো যাবে। সাধারণ মানুষের জন্য মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে এই লাইটিং শো সম্প্রচারের ব্যবস্থাও থাকবে।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় দিবস ও উৎসবের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে হাওড়া ব্রিজে আলোর থিম পরিবর্তন করা হবে। যেমন, দুর্গাপুজো,পুজোর অন্যান্য বিশেষ অনুষ্ঠান, দিওয়ালি, স্বাধীনতা দিবস, গান্ধী জয়ন্তী, প্রজাতন্ত্র দিবস, হোলি ইত্যাদি।
হাওড়া ব্রিজকে শুধু আলোকিত করাই নয়, বিভিন্ন উৎসব ও জাতীয় অনুষ্ঠানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি পরিবর্তনশীল ‘লাইট অ্যান্ড সাউন্ড’ আকর্ষণ হিসেবে তুলে ধরাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।