
নয়া দিল্লি: চলতি বছরই পাহাড়ে বেড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে? তাহলে আপনার জন্য দারুণ সুযোগ নিয়ে এসেছে IRCTC। সংস্থার হিমালয়ান ট্র্য়ানকুইলিটি ট্যুর প্যাকেজে (IRCTC Special Package Tour) একটা নয়, একসঙ্গে ঘুরে আসা যাবে উত্তর-পূর্ব ভারতের তিন জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র। কালিম্পং (Kalimpong), গ্যাংটক (Gangtok)ও দার্জিলিং (Darjeeling)। শুধু তাই নয়, এই ট্যুর প্যাকেজে ট্রেনের টিকিট, হোটেলে থাকা, যাতায়াত-সহ প্রয়োজনীয় প্রায় সব ব্যবস্থাই রয়েছে। ফলে, আলাদা করে হোটেল বা গাড়ি বুকিংয়ের ঝামেলাও থাকবে না।
IRCTC-র ট্যুর প্যাকেজে প্রথম গন্তব্য কালিম্পং। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত এই শান্ত পাহাড়ি শহর। কয়েকদিনের জন্য শহরের কোলাহল থেকে দূরে নিরিবিলিতে কাটাতে চাইলে কালিম্পং আদর্শ গন্তব্য।
কালিম্পঙের পর ট্যুরের পরবর্তী গন্তব্যস্থল গ্যাংটক। বরফে ঢাকা হিমালয়ের মাঝে অবস্থিত এই শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মুগ্ধ করার মতো। এমজি মার্গ, মনোরম ভিউ পয়েন্ট এবং বৌদ্ধ মনেস্ট্রি অন্যতম আকর্ষণীয় জায়গা। এছাড়া, গ্যাংটক থেকে নাথুলা পাস, লাচুং, লাচেন-সহ একাধিক জায়গায় যাওয়া যায়।
ট্যুরের শেষ গন্তব্য দার্জিলিং, যাকে ‘পাহাড়ের রানি’ বলা হয়। ‘কুইন অব দ্য হিলস’ নামেই পরিচিত। বিশ্ববিখ্যাত চা-বাগান, কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য, দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে (টয় ট্রেন) পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়।
IRCTC-র এই প্যাকেজ অনুযায়ী, ট্রেন প্রতি রবিবার হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে। সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে হাওড়া থেকে রওনা হয়ে পরদিন সকালে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছযবে।
ফেরার ট্রেন শনিবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে। এনজিপি থেকে শুরু হয়ে পরদিন সকালে হাওড়ায় পৌঁছয়। তবে ট্রেনের সময়সূচিতে পরিবর্তন হতে পারে বলে জানিয়েছে রেল।
প্যাকেজ শুরু ২৯,১৫০ টাকা থেকে। জনপ্রতি এই ভাড়া দিতে হবে। আবার পিক সিজনে ভাড়া ৩১,৪৫০ টাকা থেকে শুরু হয়। ডবল শেয়ারিং ও সিঙ্গল শেয়ারিংয়ের জন্য আলাদা ভাড়া নির্ধারিত রয়েছে। শিশুদের ক্ষেত্রেও পৃথক চার্জ। তাই বুকিংয়ের আগে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ক্যাটাগরি বেছে নেওয়া যাবে।
এই ট্যুর প্যাকেজে রয়েছে—
প্যাকেজে দুপুরের খাবার অন্তর্ভুক্ত নয়। ট্রেন যাত্রার সময় খাবারের খরচও যাত্রীদেরই বহন করতে হবে। এছাড়া প্রবেশমূল্য, বোটিং, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, রাফটিং, প্যারাগ্লাইডিং, লন্ড্রি, মিনারেল ওয়াটার, টিপস, ক্যামেরা ফি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত খরচ প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত নয়। খারাপ আবহাওয়া, ভূমিধস, রাস্তা বন্ধ বা অন্য কোনও কারণে যাত্রায় বিঘ্ন ঘটলে অতিরিক্ত যে খরচ হবে, তা যাত্রীদেরই বহন করতে হবে।
কালিম্পংয়ে এক রাত হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
গ্যাংটকে দুই রাত থাকার ব্যবস্থা করা হয়।
দার্জিলিঙে দুই রাত থাকার ব্যবস্থা করা হয়।