
কলকাতা: যেমন কথা তেমন কাজ! মুখ্যমন্ত্রীর ‘দাওয়াইয়ে’ অ্যাকশন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ‘দেশবিরোধী স্লোগান ও আপত্তিকর’ দেওয়াল লিখন, গ্রাফিতি কেন থাকবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এক্স হ্যান্ডলে করেছিলেন ভিডিয়ো পোস্ট। সেই সমস্ত বিতর্কিত দেওয়ার লিখন, গ্রাফিতি মুছে ফেলার কাজ শুরু করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। দেখা গেল বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে সেই দেওয়াল লিখন, গ্রাফিতি, স্লোগানগুলোকে সাদা চুনকাম করে দেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার যাদবপুরে ৮বি বাসস্ট্যান্ডে বন্দে-মাতরম গাইতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম গাওয়া হয়। সেখানেই মঞ্চ থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে একাধিক ‘কীর্তিকলাপ’ নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, “আমি ওই পুলিশমন্ত্রী, আমি জঞ্জাল সাফাই করতে জানি।”
দেশবিরোধী স্লোগান বরদাস্ত হবে না জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি, “আমি অসুখও জানি, ওষুধও জানি। আমাদের বিদ্যার্থী পরিষদ দিল্লির জেএনইউ, হায়দরাবাদের ওসমানিয়া, সবাইকে শুধরে দিয়েছে। যাদবপুর এখনও বাকি। এটাও হয়ে যাবে। এত সাহস, আর্টস হস্টেলের দেওয়ালে রেড স্যালুট কিষেণজি। কে এই কিষেণজি? যিনি গোমতী থেকে গোদাবরী, আলাদা রাষ্ট্র তৈরির কথা বলতেন, সেই কিষেণজিকে রেড স্যালুট দেবেন। আর ফ্রি প্যালেস্টাইন? ওই জায়গায় আগে লিখুন, ফ্রি ফ্রি পাক অকুপাইড কাশ্মীর। উচ্চশিক্ষা দফতর দেখছে। আমিও দেখছি। জুটার নেতাবাবুরা কতক্ষণ এদের বাঁচায়, আমিও দেখব।”
এর আগে শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, “যাদবপুরে জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করবই।” এরপর দেখা গেল তাতেই পদক্ষেপ করলেন কর্তৃপক্ষ।