Jhargram Police Constable: তোলা তুলতে দালাল ‘নিয়োগ’, দুর্নীতি দমন শাখার জালে কনস্টেবল

Jhargram police constable arrested: নানা তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল ও তিন দালালকে গ্রেফতার করে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ঘুষের ৫ লক্ষ টাকা। এই চক্র কতদূর বিস্তৃত, তা তদন্ত করে দেখছে দুর্নীতি দমন শাখা। কতদিন ধরে এভাবে তোলা আদায় করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা জানার চেষ্টা করছে, এর সঙ্গে কোনও হেভিওয়েট ব্যক্তি কিংবা আধিকারিক জড়িত রয়েছেন কি না।

Jhargram Police Constable: তোলা তুলতে দালাল নিয়োগ, দুর্নীতি দমন শাখার জালে কনস্টেবল
৫ লক্ষ টাকা-সহ কনস্টেবলকে গ্রেফতার করেছে রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখাImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: সঞ্জয় পাইকার

Aug 26, 2026 | 9:42 AM

কলকাতা ও ঝাড়গ্রাম: ঘুষ নেওয়া, তোলাবাজি বরদাস্ত করা হবে না। সরকারি আধিকারিক থেকে রাজনৈতিক নেতা, অনৈতিক কাজে যুক্ত থাকলে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। ক্ষমতায় এসেই এই কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু আধিকারিক। রাজ্যে পালাবদলের পর একাধিক আধিকারিক ঘুষ নিতে গিয়ে ধরাও পড়েছেন। এবার তোলাবাজির অভিযোগে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা গ্রেফতার করল ঝাড়গ্রামের এক পুলিশ কনস্টেবল এবং তিন দালালকে। ৫ লক্ষ টাকা ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়লেন ওই কনস্টেবল।

বালি পরিবহণের জন্য লরি ও ট্রাক্টরের থেকে দালালদের মারফত ঘুষ নেন ঝাড়গ্রাম থানার এক কনস্টেবল। এই অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। অভিযুক্তকে ধরতে ফাঁদ পাতেন। জানা গিয়েছে, এক ট্রাক মালিকের কাছ থেকে তোলার টাকা নিচ্ছিলেন দালালরা। তাঁদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন তদন্তকারীরা। দালালদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, লরি ও ট্রাক্টরের কাছ থেকে তোলা তুলে তাঁরা ওই কনস্টেবলকে দেন। এক দালাল জানান, ইতিমধ্যে তিনি পাঁচ লক্ষ টাকা তোলা তুলেছেন। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, দালালের ফোনে অভিযুক্ত কনস্টেবলের নম্বর ‘ঝাড়গ্রাম ম্যানেজার’ হিসেবে সেভ করা রয়েছে।

এরপর দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা বালি ব্যবসায়ী সেজে এক দালালের সঙ্গে ঝাড়গ্রাম থানায় পৌঁছান। এবং একটি ব্যাগে করে নিয়ে আসা টাকা ঝাড়গ্রাম থানার কনস্টেবল রতন প্রামাণিকের হাতে তুলে দেন। সেই সময়ই রতনকে হাতেনাতে পাকড়াও করেন দুর্নীতি দমন শাখার আধিকারিকরা। তিন দালালকেও গ্রেফতার করে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ঘুষের ৫ লক্ষ টাকা। এই চক্র কতদূর বিস্তৃত, তা তদন্ত করে দেখছে দুর্নীতি দমন শাখা। কতদিন ধরে এভাবে তোলা আদায় করা হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা জানার চেষ্টা করছে, এর সঙ্গে কোনও হেভিওয়েট ব্যক্তি কিংবা আধিকারিক জড়িত রয়েছেন কি না।

প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগেই ঝাড়গ্রামের জামবনী বিডিও অফিসের সহকারী ইঞ্জিনিয়র ঘুষ নিতে গিয়ে ধরা পড়েন। তাঁকে গ্রেফতার করে দুর্নীতি দমন শাখা। এছাড়াও রাজ্যের একাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে একাধিক পদাধিকারীকে গ্রেফতার করা হয়। এবার ঝাড়গ্রামে গ্রেফতার হলেন পুলিশ কনস্টেবল।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us