Calcutta Municipal Corporation: কালীর ‘কালো হাত’ নেতাজির উদ্বোধন করা ক্যান্টিনেও! বেতন নিয়ে কী কীর্তি করত জানেন?

calcutta municipal corporation: এমনকী তিনি জানালেন, ফাইল দুবার অনুমোদন পেয়ে গিয়েছিল,কিন্তু কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বেতন বৃদ্ধি করলে আমার লাভ কী? টিভি ৯ বাংলাকে ওই আধিকারিক বলেন, "যখনই ফাইল অনুমোদন হয়েছে কি না জানতে চেয়েছি, তখনই খারাপ ব্যবহার জুটেছে। অত্যন্ত নিম্নমানের ভাষায় ঘর থেকে তাড়িয়ে দিতেন ওই ওএসডি।"

Calcutta Municipal Corporation: কালীর কালো হাত নেতাজির উদ্বোধন করা ক্যান্টিনেও! বেতন নিয়ে কী কীর্তি করত জানেন?
কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jun 27, 2026 | 4:31 PM

কলকাতা: সালটা ১৯৩০ থেকে ১৯৩১। সেই সময় কলকাতা পুরসভার মেয়র ছুলেন নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু। তাঁর হাত ধরে উদবোধন হয়েছিল পৌরসভার ঐতিহ্যবাহী পুরসভার ক্যান্টিন। খুব স্বল্প সময়ে সুভাষ বোস হয়ত মেয়র ছিলেন, কিন্তু এই মহান নেতার প্রতিটি কাজের ছাপ রয়েছে পুরসভার অলিন্দে। সময় পেরিয়েছে। নদী থেকে বয়ে গিয়েছে জল। এখন সেই নেতাজির সেই পুরসভার ক্যান্টিনে এখন বেনিয়মের অভিযোগ।

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন মেয়র তথা কলকাতা বন্দরের বিধায়ক ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) ঘনিষ্ঠ কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুধু তোলাবাজি নয়, তারাতলার ঘটনায় নাম উঠে এসেছে তাঁর। তারপরই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “কালীকে তুলে নিলেই সব বেরিয়ে যাবে।” এরপর কালী সংবাদ-মাধ্যমে। আর তারপর থেকে গুচ্ছ-গুচ্ছ অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। এবার জানা যাচ্ছে, পৌরনিগমের ক্যান্টিনে যে সকল কর্মীরা কাজ করতেন, তাঁদের বেতন বৃদ্ধির ফাইল আটকে দিয়েছিলেন। প্রশ্ন করেছিলেন, ক্যান্টিন কর্মীদের বেতন বাড়লে তাঁর লাভ কী?

পুরসভার কর্মীদের অভিযোগ, একবার বা দু’বার নয়, অন্তত ছয় বার কলকাতা পুরসভার ঐতিহ্যশালী ক্যান্টিনের কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ফাইল অনুমোদনের জন্য গত পাঁচ বছরে তৎকালীন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কাছে পাঠানো হয়েছিল। এমনকী,তার মধ্যে দু’বার ফাইলে অনুমোদন পড়েও যায় মেয়রের। কিন্তু সেখানেও ‘দাদাগিরি’ তৎকালীন মেয়রের তৎকালীন ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। অভিযোগ, ‘আমার লাভ কী?’এই শব্দ প্রয়োগ করেই ফাইল আটকে দিতেন তিনি।

এক হাজার বা দু’হাজার বা ১০ হাজার টাকা নয়, মাত্র ৫০০ টাকা বাড়ানো হয়েছিল কলকাতা পৌরসভার ক্যান্টিনের ২৭ জন কর্মীর। জানা যাচ্ছে, মেয়র থাকাকালীন প্রতি ২৩ জানুয়ারি ফিরহাদ হাকিম ওই ক্যান্টিনে গিয়ে কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ব্যাপারে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু ফাইল আটকে দেওয়া হত মাঝপথেই। এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য ক্যান্টিনেরই আধিকারিকের।

পরিচয় প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক ক্যান্টিনের ওই আধিকারিক মূলত কর্মীদের হয়ে ফাইল নিয়ে যেতেন তৎকালীন মেয়রের কাছে। তাঁর উপরই দায়িত্ব ছিল ফাইল নিয়ে যাওয়া এবং তাতে অনুমোদন নেওয়া। অভিযোগ, কিন্তু সেই ফাইল কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘরে ঢুকত আর বের হতো না, এমনি দাবি ওই আধিকারিকের।

এমনকী তিনি জানালেন, ফাইল দুবার অনুমোদন পেয়ে গিয়েছিল,কিন্তু কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, বেতন বৃদ্ধি করলে আমার লাভ কী? টিভি ৯ বাংলাকে ওই আধিকারিক বলেন, “যখনই ফাইল অনুমোদন হয়েছে কি না জানতে চেয়েছি, তখনই খারাপ ব্যবহার জুটেছে। অত্যন্ত নিম্নমানের ভাষায় ঘর থেকে তাড়িয়ে দিতেন ওই ওএসডি।” অভিযোগ জানানোর মতো ক্ষমতা কলকাতা পুরসভায় কারোর ছিল না বলেও দাবি করলেন ওই আধিকারিক।

 

 

 

 

 

 

Follow Us