
নয়া দিল্লি: তৃণমূলের নাম ও প্রতীক ফ্রিজ করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। উপনির্বাচনে লড়াইয়ের জন্য বিকল্প নাম ও প্রতীকও দেওয়া হয়েছে মমতা (Mamata Banerjee) ও ঋত শিবিরকে। কিন্তু, তারপরেও ঘাসের উপর জোড়াফুল এবং অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস নাম ব্যবহার করা যাবে। জানিয়ে দিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee)। কমিশনের নির্দেশের সত্ত্বেও কীভাবে এটা হতে পারে, তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের বাইরে প্রতীক ও নাম ব্যবহার করা যাবে। এমনটাই জানিয়েছেন কল্যাণ। এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, “ঋতব্রতরা যে কারণে গিয়েছিল সেটা হয়নি। ঘাসের উপর জোড়াফুল পায়নি, সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস পায়নি। তবে,আমরা নির্বাচনের বাইরে সব জায়গাতেই সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস ও ঘাসের উপর জোড়াফুল ব্যবহার করতে পারব।” সাংসদের কথায়, নির্বাচন কমিশন নাম ও প্রতীক যা নির্দেশ চেয়েছে, এটা শুধু মাত্র নির্বাচনের জন্য সীমাবদ্ধ। যতক্ষণ না পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়। অর্থাৎ, স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন এই অর্ডার বা প্রতীক শুধুমাত্র নির্বাচনে ব্যবহার করবেন তাঁরা।
যদিও নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অবৈধ। এমনটাই মনে করছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন যে অর্ডারটা পাশ করেছে, তা অবৈধ। এর মধ্যে কোনও কারণ দেখায়নি। যা আছে তাই আমরা করব।” সাংসদ আরও জানিয়েছেন, কমিশনের অর্ডারের বিরুদ্ধে আদালতেও যেতে পারেন তাঁরা।
ঋতব্রতকে খোঁচা দিয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস। কতটা ডেমোক্রেটিক, দেখতে পাবে পশ্চিমবাংলার মানুষ। ও তো নন্দীগ্রামের প্রার্থীর জন্য শুভেন্দু অধিকারীর আশীর্বাদ চেয়েছে।… ওর লড়াইটা হচ্ছে আমাদের সঙ্গে। আর খাম প্রতীক পেয়েছে। প্রচুর খাম পেত, প্রচুর খাম দিয়েছে।”