Monks Rally in Kolkata: কলকাতায় সাধুদের প্রতিবাদ মিছিল থেকে সুর চড়ালেন কার্তিক মহারাজ, উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগান

Monks Rally in Kolkata: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্তব্যের প্রতিবাদে এদিন বাগবাজার সারদা দেবীর বাড়ি থেকে শুরু হয় এই মিছিল। শেষ হয় সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত গিয়ে। হাজির থাকতে দেখা গেল খোদ কার্তিক মহারাজকেও।

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

May 25, 2024 | 9:24 AM

কলকাতা: প্রতিবাদের ডাকটা আগেই উঠেছিল। ঠিক হয়ে গিয়েছিল দিনক্ষণ। অবশেষে বৃহস্পতিবার শহর কলকাতা দেখল এক অভিনব প্রতিবাদ মিছিল। বঙ্গীয় সন্ত স্বাভিমান যাত্রা। সাধু-সন্তদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্তব্যের প্রতিবাদে এদিন বাগবাজার সারদা দেবীর বাড়ি থেকে শুরু হয় এই মিছিল। শেষ হয় সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত গিয়ে। হাজির থাকতে দেখা গেল খোদ কার্তিক মহারাজকেও। উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগানও। উঠল ভারত মাতা কী জয় স্লোগানও। 

মিছিল থেকেই নাম না করে মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, “উনি জানেন কেন আক্রমণ করা হচ্ছে। উনি কী বলেছেন তা বিভিন্ন চ্যালেনে প্রচার হয়েছে। সে কারণেই বিভিন্ন মঠ-মিশনের সাধু-সন্তরা রাস্তায় নেমেছেন। এটা তো খুবই ভাল।” এরপরই আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ বলেন, “শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, গোটা ভারতবর্ষে আমাদের নাম রয়েছে। ওনার প্রত্যেকটা চ্যালেঞ্জকে আমি গ্রহণ করেছি। আজ পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরকে উনি শাসন করেননি। সংযত করেননি।”  

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আরামবাগের একটি সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “সব সাধু তো সমান হয় না। এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ রয়েছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে। আমি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বুথে বসতে দেব না। তাকে আমি আর শ্রদ্ধা করি না।” তাঁর এ মন্তব্য নিয়ে উঠেছিল বিতর্কের ঝড়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাইতে বলে আইনি চিঠিও পাঠান কার্তিক মহারাজ।

কলকাতা: প্রতিবাদের ডাকটা আগেই উঠেছিল। ঠিক হয়ে গিয়েছিল দিনক্ষণ। অবশেষে বৃহস্পতিবার শহর কলকাতা দেখল এক অভিনব প্রতিবাদ মিছিল। বঙ্গীয় সন্ত স্বাভিমান যাত্রা। সাধু-সন্তদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের মন্তব্যের প্রতিবাদে এদিন বাগবাজার সারদা দেবীর বাড়ি থেকে শুরু হয় এই মিছিল। শেষ হয় সিমলা স্ট্রিটে স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি পর্যন্ত গিয়ে। হাজির থাকতে দেখা গেল খোদ কার্তিক মহারাজকেও। উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগানও। উঠল ভারত মাতা কী জয় স্লোগানও। 

মিছিল থেকেই নাম না করে মমতার বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে কার্তিক মহারাজ বলেন, “উনি জানেন কেন আক্রমণ করা হচ্ছে। উনি কী বলেছেন তা বিভিন্ন চ্যালেনে প্রচার হয়েছে। সে কারণেই বিভিন্ন মঠ-মিশনের সাধু-সন্তরা রাস্তায় নেমেছেন। এটা তো খুবই ভাল।” এরপরই আক্রমণের ঝাঁঝ আরও বাড়িয়ে বেলডাঙা ভারত সেবাশ্রম সংঘের অধ্যক্ষ বলেন, “শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, গোটা ভারতবর্ষে আমাদের নাম রয়েছে। ওনার প্রত্যেকটা চ্যালেঞ্জকে আমি গ্রহণ করেছি। আজ পর্যন্ত হুমায়ুন কবীরকে উনি শাসন করেননি। সংযত করেননি।”  

প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আরামবাগের একটি সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, “সব সাধু তো সমান হয় না। এই যে বহরমপুরের একজন মহারাজ রয়েছেন। কার্তিক মহারাজ। আমি শুনেছি অনেক দিন ধরে। আমি ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম। কিন্তু যে লোকটা বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টকে বুথে বসতে দেব না। তাকে আমি আর শ্রদ্ধা করি না।” তাঁর এ মন্তব্য নিয়ে উঠেছিল বিতর্কের ঝড়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাইতে বলে আইনি চিঠিও পাঠান কার্তিক মহারাজ।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us