WB Holding Centre: ডিটেনশন সেন্টার নয়, ঠিক কেমন হবে বাংলার হোল্ডিং সেন্টার, কী হবে সেখানে

Bangladeshi Infiltrators: যে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গারা ২০২৪-এর ৩১ ডিসেম্বরের পরে ভারতে এসেছেন, তাঁদের চিহ্নিত করে এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এরাজ্যে সংশোধনাগার থেকে যে সব অনুপ্রবেশকারী ছাড়া পাবেন, তাঁদেরকেও এই হোল্ডিং সেন্টারে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

WB Holding Centre: ডিটেনশন সেন্টার নয়, ঠিক কেমন হবে বাংলার হোল্ডিং সেন্টার, কী হবে সেখানে
প্রতীকী ছবিImage Credit source: AI Generated Image

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

May 24, 2026 | 4:15 PM

কলকাতা: শুভেন্দু অধিকারীর সরকার ক্ষমতায় আসার পরই অনুপ্রবেশকারীদের বাংলা থেকে বের করার বার্তা দিয়েছে। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী (Illegal Infiltrators) ধরা পড়লেই সোজা পাঠিয়ে দেওয়া হবে সীমান্তের ওপারে। এই ঘোষণা পর এবার শুরু হল সেই ডিপোর্ট করার প্রক্রিয়া। বাংলা জুড়ে তৈরি হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টার। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে রাখা হবে সেখানে। কোথায় হবে এই ক্যাম্প, কারা থাকবে, কী আছে নির্দেশিকায়।

২০২৫-এর ২ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের শনাক্ত করে, আটক ও প্রত্যর্পণের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করে। এক বছর পেরিয়ে গেলেও এ রাজ্যে তৃণমূল সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এসে নির্দেশ কার্যকর করেছে।

বাংলার হোল্ডিং সেন্টারগুলো কেমন হবে

সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় থাকা কৃষক মান্ডি বা স্কুলগুলোতেই ডিটেনশন সেন্টারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আলাদা কোনও ঘেরাটোপ থাকবে না। তবে, ওই সেন্টারে যাঁরা থাকবেন, তাঁরা বাইরে অবাধ বিচরণ করতে পারবেন না।

কীভাবে ধরা হবে অনুপ্রবেশকারীদের

অবৈধভাবে সীমান্ত পার হওয়ার সময় ধরা পড়া বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গাদের বায়োমেট্রিক তথ্য (আঙুলের ছাপ ও মুখের ছবি) সংগ্রহ করে সঙ্গে সঙ্গে ফেরত পাঠাতে হবে।

এই সংক্রান্ত তথ্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের Foreigners Identification Portal (FIP)-এ আপলোড করতে হবে।

প্রতিটি জেলায় অবৈধ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্ত ও প্রত্যর্পণের জন্য বিশেষ টাস্ক ফোর্স (STF) গঠন করতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছিল কেন্দ্রের নির্দেশিকায়।

কেউ যদি নিজেকে নাগরিক বলে দাবি করে

সন্দেহভাজন ব্যক্তি যদি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক বলে দাবি করেন, তবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বা জেলার কাছে যাচাইয়ের জন্য তথ্য পাঠাতে হবে।

৩০ দিনের মধ্যে যাচাই করে সেই তথ্য জমা দিতে হবে প্রশাসনের কাছে। সেই সময় পর্যন্ত ওই ব্যক্তিকে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।

অবৈধ প্রমাণিত হলে কী হবে

অবৈধ প্রমাণিত হলে ব্ল্যাকলিস্ট করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করতে না পারে।

প্রত্যর্পিত ব্যক্তিদের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ করা হবে।

এই তথ্য UIDAI, নির্বাচন কমিশন, পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে দেওয়া হবে, যাতে সংশ্লিষ্ট পরিচয়পত্র বা সরকারি সুবিধা বাতিল করা যায়।

কে খরচ করবে

প্রত্যর্পণের জন্য পরিবহণের প্রাথমিক খরচ রাজ্য সরকার বহন করবে, পরে কেন্দ্রের কাছ থেকে ফেরত পাবে।

হোল্ডিং সেন্টার স্থাপন ও পরিচালনার সম্পূর্ণ ব্যয় রাজ্য সরকার বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

Follow Us