কলকাতা: ট্যাংরায় তিন মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য ক্রমশ জটিল হচ্ছে। একগুচ্ছ প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই। সাংবাদিক বৈঠক করে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা জানিয়েছেন, মৃত তিনজনের মধ্যে দুজনের শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে, একজনের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। কীভাবে মৃত্যু? খুন নাকি আত্মহত্যা? কখন মৃত্যু হয়? তিনজন পুরুষ সদস্য কোথায় চলে যাচ্ছিলেন? এই সব প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই। এরই মধ্যে প্রকাশ্য়ে এসেছে ওই বাড়ির বাইরের সিসিটিভি ফুটেজ।
ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাত ঠিক ১২টা ৫২ মিনিটে বাড়ির গ্যারেজ থেকে বেরচ্ছে গাড়ি, ১২টা ৫৩ মিনিটে বাড়িতে ঢুকলেন এক ভাই, ১২টা ৫৪ মিনিটে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফের গাড়িতে। ওই সময়েই বড় ভাইয়ের ছেলে গাড়িতে চাপে। ১২টা ৫৫ মিনিটে গাড়িত ওঠেন আর এক ভাই। তারপর হুশ করে বেরিয়ে যায় সেই গাড়ি।
পরে দেখা যায় কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের কাছে পিলারে ধাক্কা মারের সেই গাড়ি। বাড়ি থেকে ওই জায়গার দূরত্ব প্রায় ৬.৪ কিলোমিটার। মাত্র ১৫ মিনিটের রাস্তা যেতে সোয়া তিন ঘণ্টা লাগল কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। পুলিশ দেখেছে, ১২০ কিমি গতিবেগ ছিল ওই গাড়ির। তাহলে মাঝে গাড়িটি কোথায় ছিল, ফুটেজ দেখে সেটা বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
এদিকে, পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ট্যাংরার খুনের ঘটনায় মৃতদের গলায় ও হাতে ক্ষত দেখা গিয়েছে। কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিসেরার রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
কলকাতা: ট্যাংরায় তিন মহিলার মৃত্যুর ঘটনায় রহস্য ক্রমশ জটিল হচ্ছে। একগুচ্ছ প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই। সাংবাদিক বৈঠক করে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা জানিয়েছেন, মৃত তিনজনের মধ্যে দুজনের শরীরে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে, একজনের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। কীভাবে মৃত্যু? খুন নাকি আত্মহত্যা? কখন মৃত্যু হয়? তিনজন পুরুষ সদস্য কোথায় চলে যাচ্ছিলেন? এই সব প্রশ্নের কোনও উত্তর নেই। এরই মধ্যে প্রকাশ্য়ে এসেছে ওই বাড়ির বাইরের সিসিটিভি ফুটেজ।
ফুটেজে দেখা গিয়েছে, রাত ঠিক ১২টা ৫২ মিনিটে বাড়ির গ্যারেজ থেকে বেরচ্ছে গাড়ি, ১২টা ৫৩ মিনিটে বাড়িতে ঢুকলেন এক ভাই, ১২টা ৫৪ মিনিটে বাড়ি থেকে বেরিয়ে ফের গাড়িতে। ওই সময়েই বড় ভাইয়ের ছেলে গাড়িতে চাপে। ১২টা ৫৫ মিনিটে গাড়িত ওঠেন আর এক ভাই। তারপর হুশ করে বেরিয়ে যায় সেই গাড়ি।
পরে দেখা যায় কবি সুকান্ত মেট্রো স্টেশনের কাছে পিলারে ধাক্কা মারের সেই গাড়ি। বাড়ি থেকে ওই জায়গার দূরত্ব প্রায় ৬.৪ কিলোমিটার। মাত্র ১৫ মিনিটের রাস্তা যেতে সোয়া তিন ঘণ্টা লাগল কেন, সেই প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরা। পুলিশ দেখেছে, ১২০ কিমি গতিবেগ ছিল ওই গাড়ির। তাহলে মাঝে গাড়িটি কোথায় ছিল, ফুটেজ দেখে সেটা বের করার চেষ্টা করছে পুলিশ।
এদিকে, পুলিশ কমিশনার জানিয়েছেন, ট্যাংরার খুনের ঘটনায় মৃতদের গলায় ও হাতে ক্ষত দেখা গিয়েছে। কোনও সুইসাইড নোট পাওয়া যায়নি। উদ্ধার হওয়া মোবাইল খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভিসেরার রিপোর্ট খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।