
কলকাতা: বিজেপি সরকারের আমলে ভোল বদলে যাবে বাংলার? পশ্চিমবঙ্গকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নিয়েছে নতুন সরকার। ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করা হয়েছে। এই আবহে আরও একটা বড় ঘোষণা করলেন পুর ও নগরোন্নায়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। কলকাতাকে এবার ডিজিট্যাল রূপ দেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করছে সরকার। বিদেশের মতো বড় বড় ডিজিট্যাল হোর্ডিং (Digital Hoarding) থাকবে, হবে ডিজিট্যাল বাসস্ট্যান্ড (Digital Busstand)। ইতিমধ্যে তার ডিজ়াইন নিয়েও চিন্তা-ভাবনা করে ফেলেছেন মন্ত্রী।
সম্প্রতি, একটি সাংবাদিক বৈঠকে অগ্নিমিত্রা পাল জানান, বিদেশের মতো কলকাতা শহরেও ডিজিট্যাল হোর্ডিং বসানো হবে। এর জন্য তিনটি জায়গাকে বেছে নেওয়া হয়েছে। পার্ক স্ট্রিট, ক্যামাক স্ট্রিট ও থিয়েটার রোড। ইতিমধ্যেই দু’টি জায়গায় ডিজিট্যাল হোর্ডিং লাগানোর কাজ হয়ে গিয়েছে। সেখানে শনি ও রবিবার ফুটবল ওয়ার্ল্ড কাপ দেখানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল।
অগ্নিমিত্রা জানিয়েছেন, ডিজিট্যাল বাসস্ট্য়ান্ড তৈরি করা হবে। বাসস্ট্যান্ডগুলি মূলত সোলার প্যানেলে চলবে। কোনও অতিরিক্ত বিদ্যুত খরচ হবে না। পুরোটাই সোলারে চলবে। বাস স্ট্যান্ডে কী কী সুবিধা থাকবে তাও জানিয়েছেন মন্ত্রী। ডিজিট্যাল বাসস্ট্যান্ডে মূলত চার্জিং পয়েন্ট থাকবে। একটি স্ক্রিন থাকবে যেখানে বাসের সময় দেওয়া থাকবে। অর্থাৎ কোন বাস কখন আসবে, পরপর তালিকা দেওয়া থাকবে। এছাড়াও যেসব মায়েরা শিশুদের নিয়ে যাতায়াত করেন, তাঁদের সুবিধার জন্য ডায়পার চেঞ্জিংয়ের সুযোগ-সুবিধাও থাকবে। শুধু কলকাতা নয়, রাজ্যজুড়ে সব শহরাঞ্চলে বাসস্ট্যান্ডগুলি ডিজিট্যালি ডিজ়াইন করা হবে।
উল্লেখ্য,দিন কয়েক আগেই একটি টোল ফ্রি নম্বর চালু করা হয়েছে পুর ও নগরোন্নায়ন দফতর থেকে। সাংবাদিক বৈঠক করে ওই টোল ফ্রি নম্বরের বিষয়ে জানিয়েছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, ওই নম্বরে ফোন করে মানুষ তাঁর সমস্যার কথা জানাতে পারবেন। মূলত, জল জমা বা ডেঙ্গি বেশি হলে বা রাস্তাঘাট নিয়ে কোনও সমস্যা হলে, কিংবা বেআইনি বাড়ি তৈরির মতো কোনও ঘটনা নজরে এলে তা ফোন করে জানাতে পারবেন। সকাল ১০টা থেকে সন্ধে ৭টা পর্যন্ত নম্বর চালু থাকবে।