
কলকাতা: আজ যাঁকে মমতা-শিবিরে দেখা যাচ্ছে, কাল তিনিই চলে যাচ্ছেন ঋতব্রত-শিবিরে। তিন মাস ধরে এমন ঘটনা ঘটেছে ভূরি ভূরি। চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিমের মতো নেতারা ঋত-শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। তবে এবার নাকি খেলা ঘুরতে পারে! এমনই দাবি করলেন কালীঘাট-তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। শুধু বিধায়ক নয়, এনসিপিআই ছেড়ে একাধিক সাংসদও তৃণমূলে ফিরতে চলেছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।
কুণাল ঘোষের দাবি, এনসিপিআই-তে যে ২০ সাংসদ মিশে গিয়েছেন, তাঁদের মধ্য়ে মাত্র তিনজন বাদে বাকি ১৭ জনই ফিরতে পারেন তৃণমূলে। কুণাল বলেন, “খুব বেশি হলে তিনজন থাকবে, বাকিরা ফিরে আসতে চাইছে।” অন্যদিকে, ঋতব্রত-শিবিরের অন্তত ৫৫ জন বিধায়ক কালীঘাটে ফেরার কথা বলছেন বলেও দাবি কুণালের। তিনি বলেন, “মাঝখান থেকে পুলিশ সরে গেলেই ৫৫ জন ফিরে আসবে। তাঁরা সবটা বুঝে গিয়েছেন।”
কুণালের দাবি, পুলিশ-প্রশাসনের ভয়েই অনেকে অন্য শিবিরে চলে গিয়েছেন, ভয় চলে গেলেই কালীঘাট শিবিরে ফিরে আসবেন তাঁরা।
এদিকে, মঙ্গলবারই এনসিপিআই-এর সঙ্গে জুড়ে যাওয়া ২০ জন সাংসদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক হবে দিল্লির বঙ্গভবনে। গত সপ্তাহে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কী হবে এনসিপিআই-এর ভবিষ্যত? আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে।
এলাকার পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা ঠিক মতো পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ একাধিক সাংসদের। মুখ্যমন্ত্রীকে সেই বিষয়ে জানাবেন সাংসদরা। এমনকী কয়েকজন সাংসদ এখনও নিজের এলাকায় ঢুকতে পারছেন না। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগেই কালীঘাটে ফেরা নিয়ে বড় দাবি করলেন কুণাল ঘোষ।