Kunal Ghosh: ‘মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি জাস্টিফায়েড করলেন!’ শুভেন্দুকে ধন্যবাদ জানিয়ে, কাকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ দাগালেন কুণাল?

Kunal Ghosh on Signature Row: ঋতব্রতকে খোঁচা দিয়ে কুণাল বলেন, "ধৈর্য্য তো ধরবেন। একটা মিটিংয়ের পর সঙ্গে সঙ্গে চিঠি, দিল্লিতে গিয়ে গ্যারেজের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা।" কুণালের কথায়, "সিপিএম পর্ব মেটার পর ঋতব্রতকে তো তৃণমূল বুক দিয়ে আগলে রেখেছিল, রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল, তাঁর একবার মনে হল না! সব সময়ে ক্ষমতার কাছে থাকতে হবে?" 

Kunal Ghosh: মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ, তিনি জাস্টিফায়েড করলেন! শুভেন্দুকে ধন্যবাদ জানিয়ে, কাকে বিশ্বাসঘাতক দাগালেন কুণাল?
কুণাল ঘোষ, বিধায়কImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jun 01, 2026 | 4:16 PM

কলকাতা: সই বিতর্কে মুখ খুলেছেন বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও  বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাতে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে ইতিমধ্যে বহিষ্কৃতও হয়েছেন। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সঙ্গে ধন্যবাদ জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও। ঋতব্রতকে সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতক আখ্যাও দিলেন কুণাল।
তাঁর বক্তব্য, দলের মধ্যে কিছু ভুলভ্রান্তি, দলের কোনও কাজে আপত্তি থাকতেই পারে, কিন্তু তা বলে সেটা দলকে না জানিয়ে সরাসরি সরকারকে জানানোর কোন মানে?

কুণালের কথায়, “আপনাদের মনে হয়েছে, দলের এটা খারাপ ওটা খারাপ, তাহলে এই দলের হয়েই দাঁড়িয়েছিলেন কেন? তখন কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বলে দাঁড়িয়েছিলেন কেন? আজ দলটা সরকারে নেই বলে বিরোধী পক্ষে বসছে বলে দলের সব খারাপ হয়ে গেল! এটা কত বড় বিশ্বাসঘাতকতা। যদি ওনাদের মনে হত, দলে কোনও গ্রস ইরেগুলারিটি  চলছে, ওনারা যদি দলকে বলে তারপর সুরাহা না পেতেন, যে কোনও তদন্ত চাইতেন।”

সন্দীপন, ঋতব্রতর কাছে সরাসরি বেশ কয়েকটি প্রশ্নও রাখেন তিনি। কুণালের প্রশ্ন, ” বেশ কয়েকটি দলকে বলার বদলে সরকার পক্ষের কাছে ভাল সাজতে যাওয়া। যে দল জেতাল, বিধানসভায় পাঠাল, যে নেত্র্রীর দেওয়া টিকিটে জিতলেন, প্রথম দিনের মিটিংয়ের পর এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা, এটা মেনে নেবে না মানুষ।  আমাদের দলে নিশ্চয়ই সমালোচনার যোগ্য বিষয় রয়েছে।”

এই কথা প্রসঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানালেন কুণাল। তিনি বললেন, “আমি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমরা যেমন ওদের দলবিরোধী কাজের জন্য দল বহিষ্কার করেছে, তিনি সেটা জাস্টিফায়েড করে দিয়েছেন। যে সদ্য জেতা বিধায়করা, যাঁদের বয়স ২০ দিন, তাঁরা প্রথমেই অনেক দিকে চিঠি দিচ্ছে।”

সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু জানিয়েছেন, তৃণমূলেরই দুই বিধায়কের করা অভিযোগের ভিত্তিতে সই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি। আর সেই দুই বিধায়কের নাম ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও  সন্দীপন সাহা।

ঋতব্রতকে খোঁচা দিয়ে কুণাল বলেন, “ধৈর্য্য তো ধরবেন। একটা মিটিংয়ের পর সঙ্গে সঙ্গে চিঠি, দিল্লিতে গিয়ে গ্যারেজের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা।” কুণালের কথায়, “সিপিএম পর্ব মেটার পর ঋতব্রতকে তো তৃণমূল বুক দিয়ে আগলে রেখেছিল, রাজ্যসভায় পাঠিয়েছিল, তাঁর একবার মনে হল না! সব সময়ে ক্ষমতার কাছে থাকতে হবে?”

প্রসঙ্গত, শুভেন্দু জানিয়েছেন, বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের যে রেজোলিউশন জমা দেওয়া হয়েছিল, তা সঠিক নয়। ওই রেজোলিউশনে থাকা ১৪ জনের সই ব্লক লেটারে লেখা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন ঋতব্রত ও সন্দীপন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে, স্পিকারের নির্দেশে বিধানসভার প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি হেয়ার স্ট্রিট থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

Follow Us