
কলকাতা: তৃণমূলের মহিলা কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন পদ থেকে ইস্তফা দিলেন মালা রায়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন তিনি। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের বিক্ষুব্ধ সংসদীয় দল রয়েছে, তাতে ১৮ নম্বরে সই রয়েছে মালা রায়ের। এই দুইয়ের মধ্যে কোথাও কোনও সংযোগ রয়েছে কিনা, আদৌ তিনি তৃণমূলে থাকবেন কিনা, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
ইতিমধ্যেই সূত্রের খবর, তৃণমূলের তরফে রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য চিঠি পাঠিয়েছেন কালীগঞ্জের বিধায়ক আলিফা আহমেদকে। মহিলা তৃণমূলের সভানেত্রীর পদ এতদিন সামলেছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তাঁকে রাজ্য সভাপতির পদে এনে মহিলা সংগঠনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কলকাতা দক্ষিণের সাংসদ মালা রায়কে। যিনি আবার কলকাতা পুরসভারও চেয়ারপার্সন।
বিপর্যয়ের সময়ে কাকলী ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে যে বিক্ষুব্ধ দলীয় সাংসদরা NDA তে যোগদানের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন, সেই তালিকাতেও নাম রয়েছে মালা রায়ের। একটি চিঠি সামনে এসেছে, সেখানে সই করেছেন বিক্ষুব্ধ সাংসদরা। তাতে ১৮ নম্বরে নাম রয়েছে দক্ষিণ কলকাতার সাংসদ মালার।
মালা রায় সম্পর্কে কুণাল বলেন, “মালা দি-কে শ্রদ্ধা করি। তিনি অসুস্থ। ভালো করে হাঁটতে পারেন না, পায়ে প্রচণ্ড ব্যাথা। তারপরও দল তাঁকে সময়, সুযোগ দিয়ে সাংসদ করেছে। পুরনিগমের চেয়ারপার্সনও তিনি। তাঁদেরও যদি মনে হয় শিবির বদল করতে হবে, তা অত্যন্ত দুঃখের।”