Maldah: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে দুই শিক্ষাকর্তার ভিন্ন বক্তব্য, তীব্র ভর্ৎসনা বিচারপতির

Maldah: কমিশনের তরফে শুক্রবার আদালতে জানানো হয় ৩১২ জনের নামই প্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। এদিন দুজনের বক্তব্য ভিন্ন হওয়ায় বিচারপতি মান্থা ডিপিএসসি মালদহ এবং কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন।

Maldah: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতে দুই শিক্ষাকর্তার ভিন্ন বক্তব্য, তীব্র ভর্ৎসনা বিচারপতির
কলকাতা হাইকোর্ট Image Credit source: Getty Images

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 28, 2025 | 9:06 PM

মালদহ:  মালদহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের মামলায় ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সশরীরে হাজিরা দিলেন মালদহ ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যান বাসন্তী বর্মন এবং কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশন। শুক্রবার ভার্চুয়ালি দুজনকেই ফের হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা।

বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আদালতের নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কিনা তা হলফনামা আকারে জমা দিতে হবে কমিশনকে। কমিশনের তরফে শুক্রবার আদালতে জানানো হয় ৩১২ জনের নামই প্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে। এদিন দুজনের বক্তব্য ভিন্ন হওয়ায় বিচারপতি মান্থা ডিপিএসসি মালদহ এবং কমিশনার অফ স্কুল এডুকেশনকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন।

বিচারপতি বলেন, “যথেষ্ট হয়েছে। আপনারা যে বক্তব্য আদালতে জমা দিয়েছেন তা পরস্পর বিরোধী। কমিশন ও ডিপিএসসি-র হলফনামা আদালত জমা রেখেছে।”

ডিপিএসসি-র তরফ থেকে আদালতে জানিয়ে দেওয়া হয়, “সবাইকে নিয়োগের লেটার দেওয়া হবে। আমাদের তরফে কমিশনকে নামের তালিকা পাঠানো হয়েছে।” বাসন্তী বর্মন এদিন সশরীরে হাজিরা দেন।

প্রসঙ্গত,  ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়েছিল। ওই মামলা কলকাতা হাইকোর্টের একাধিক বেঞ্চ এবং সুপ্রিম কোর্ট ঘুরে আবার হাইকোর্টে ফিরে আসে গত বছর। ওই মামলায় কমিশনের তরফে আদালতে জানানো হয় ৩১২ জনের নামই প্যানেলে প্রকাশিত হয়েছে এবং তাঁদের দ্রুত নিয়োগপত্র দেওয়া হবে।

অন্যদিকে ডিপিএসসির তরফে আদালতে জানানো হয়, ২৪৫ জনের লিস্ট ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে। এদের বিরুদ্ধে পর্যবেক্ষণে জানানো হয়েছে কেউ ২০১০ সালের অ্যাডমিট কার্ড দেখাতে পারেনি। অনেকে পরীক্ষাতে বসেনি।

Follow Us