
তারাতলায় একটি কারখানার শেড ভেঙে বিপত্তি। ভেঙে পড়ে লোহার বিম, টিন। আহত হয়েছেন একাধিক। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কারোর হাত থেঁতলে গিয়েছে, কারোর মাথা। অনেকেরই অবস্থাই আশঙ্কাজনক। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভিতরে আটকে ছিলেন বহু মানুষ। ধ্বংসস্তূপ ক্রেন দিয়ে সরিয়ে উদ্ধারকার্য চলছে। একসঙ্গে উদ্ধারকার্যে আসে সেনা, NDRFএর টিম। রয়েছে পুলিশও।

উদ্ধার কাজে এসেছে ভার্টিক্যাল ড্রিলও।ব্যবহৃত হচ্ছে হাইড্রোলিক ল্যাডার ওড়ানো হচ্ছে ড্রোন। অত্যাধুনিক সমস্ত পন্থা উদ্ধারে ব্যবহৃত হচ্ছে। আহতদের উদ্ধার করে পাঠানো হচ্ছে SSKM-এ

বিকেলে ঘটনাস্থলে যান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নবান্নে খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। যার নম্বর-০৩৩-২২১৪৩৫২৬, ০৩৩-২২৫৩৫১৮৫

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন, রোহিত চৌধুরী, কৃষ্ণা চৌধুরী ও এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। ৮ জন আহত ব্যক্তির নাম সামনে এসেছে। তিনি এও জানিয়েছেন, সেনা ও এনডিআরএফ একসঙ্গে কাজ না করলে এভাবে দ্রুত উদ্ধার করা সম্ভব হত না।

সন্ধ্যে নামতেই আলোর ব্যবস্থা করা হল তারাতলার দুর্ঘটনাস্থলে। ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে ড্রোন, পুলিশ কুকুর। হাইড্রলিক ক্রেন ও গ্যাস কাটার ব্যবহার করা হচ্ছে। একসঙ্গে উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে ৬ সংস্থা। একে একে বের করা হচ্ছে কর্মীদের।

ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্ট মনীশ রঞ্জনের তত্ত্বাবধানে উদ্ধারকাজ চলছে

আজ সন্ধে হলেও থেমে থাকেনি উদ্ধারকাজ। টানা কর্মীরা উদ্ধার কাজ চালিয়ে গিয়েছেন।