Gouri Shankar Ghosh: থাকবে না ‘এপাং, ওপাং’ থেকে ‘হাম্বা’, রাজ্যের সব লাইব্রেরি থেকে সরছে মমতার বই, ঘোষণা মন্ত্রীর

Mamata Banerjee's Book to removed from Libraries: মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরই গতকাল দফতরে গিয়েছিলেন গৌরীশঙ্কর ঘোষ। দফতর থেকেই টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী জানান, বাংলার সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনতে, সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বইগুলি বাতিলের প্রয়োজন রয়েছে।

Gouri Shankar Ghosh: থাকবে না এপাং, ওপাং থেকে হাম্বা, রাজ্যের সব লাইব্রেরি থেকে সরছে মমতার বই, ঘোষণা মন্ত্রীর
গৌরী শঙ্কর ঘোষ ও মমতাImage Credit source: Tv9 Bangla

| Edited By: শুভশ্রী রায়চৌধুরী

Jun 12, 2026 | 11:57 AM

কলকাতা: ‘এপাং, ওপাং’, ‘হাম্বা হাম্বা’ থেকে ‘টর্নেডো’…প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) লেখা কবিতাগুলি বারবার চর্চায় থেকেছে। কম সমালোচনাও হয়নি। আবার তৃণমূল সরকারের (TMC Goverment) আমলে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল-সহ সব লাইব্রেরিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই রাখার নির্দেশিকা নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি এই নিয়ে কটাক্ষও করেছিল। তবে, রাজ্যে পালাবদল হতেই সব লাইব্রেরি (Library) থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই সরিয়ে দিতে তৎপর বিজেপি সরকার। দফতরের দায়িত্ব নিয়েই বড় পদক্ষেপ করতে চলেছেন রাজ্যের জনশিক্ষা প্রসার ও গ্রন্থাগার মন্ত্রী গৌরী শঙ্কর ঘোষ (Minister Gouri Shankar Ghosh)।

মমতার বই নিয়ে কী বললেন গৌরীশঙ্কর?

মন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পরই গতকাল দফতরে গিয়েছিলেন গৌরী শঙ্কর ঘোষ। দফতর থেকেই টিভি৯ বাংলাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মন্ত্রী জানান, বাংলার সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনতে, সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বইগুলি বাতিলের প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রসঙ্গ বলতে গিয়ে রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্রের বাংলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরেন। বলেন, “রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়দের পড়েই আমরা বড় হয়েছি। বাংলাকে সমৃদ্ধ করেছি। যাঁদের লেখা পড়লে বাংলা সোনার বাংলা হবে, সেই মনীষীদের লেখাই আমরা পড়াব।”

বাংলার পুরনো সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে আনার বার্তা

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই পড়েই বাংলার সংস্কৃতি নষ্ট হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন মন্ত্রী। গৌরী শঙ্কর বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের লেখা বই পড়িয়ে বাংলার কী করেছেন, তা বাংলার মানুষ দেখেছেন। বাংলা পরিযায়ী শ্রমিকদের বাংলা হয়ে গিয়েছে। কর্মসংস্থান নেই, মা-বোনদের সুরক্ষা নেই, গণতন্ত্র নেই। এগুলো তাঁর বই পড়ে হয়েছে। তাই তাঁর লেখা বইগুলোকে আমরা বাতিল করব। আমরা রবীন্দ্রনাথ, নজরুলের সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে চাই। যে সংস্কৃতি দেখে একসময় সারা ভারত তথা বিশ্বের লোক বাংলায় আসত।” তাঁর সাফ বার্তা, লাইব্রেরিতে এবার থেকে কোনও অপ্রয়োজনীয় বই থাকবে না। পরিবর্তে বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ, বঙ্কিমচন্দ্র, কাজী নজরুল ইসলামদের বই থাকবে। যে বই পড়ে বাংলার পুরনো সংস্কৃতিকে ফিরিয়ে এনে বাংলাকে সমৃদ্ধ করতে পারবে আগামী প্রজন্ম।

Follow Us