
কলকাতা: হাইকোর্টের নির্দেশের পর আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা বলার ক্ষেত্রে আর কোনও বাধা নেই। তবে সই-সাবুদ নিয়ে এখনও জটিলতা রয়ে গিয়েছে। একদিকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যাকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল, তাতে থাকা সই নিয়ে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে, এমন কেউ কেউ আছেন, যাঁরা দুই শিবিরেই সই করেছেন। তাঁদের এবার আইনের কথা মনে করালেন কুণাল ঘোষ।
তৃণমূলের কালীঘাট শিবিরে থাকা বিধায়ক কুণাল ঘোষ বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “অনেকে ২ জায়গায় সই করে আইনি ফাঁদে পড়ে গিয়েছেন।” পাশাপাশি তিনি আরও দাবি করেন, ঋতব্রত শিবিরে থাকা অনেকেই তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
কুণাল বলেন, “অনেকেই মন থেকে ওদিকে নেই। ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ বিধায়ক মন থেকে ওদিকে নেই। তাঁরা আমাকে ফোন করছেন, মদন মিত্রকে ফোন করছেন, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করছেন। তাঁদের ভয় দেখানো হচ্ছে। মনোকষ্ট নিয়ে তাঁরা ওদিকে আছেন।”
তৃণমূলের অপর শিবিরের বিধায়কদের উদ্দেশে কুণাল বলেন, “দেখে নিন আপনারা মাথা উঁচু করে বাঁচবেন কি না।” উল্লেখ্য, ঋতব্রত শিবির আত্মপ্রকাশ করার আগেই শোভনদেব চট্টোপাধ্য়ায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিধানসভায়। সেই প্রস্তাব নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। পরে সন্দীপন সাহা ৫৮ জনের সই নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার প্রস্তাব জমা দেন।