
ডানকুনি: একুশে বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে হাতে হাত রেখে ব্রিগেডের মঞ্চে উঠেছিলেন সংযুক্ত মঞ্চের নেতারা। একই ফ্রেমে দেখা গিয়েছিল বিমান বসু, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, আব্বাস সিদ্দিকীর মতো নেতাদের। যদিও তখনও আইএসএফের ভাইজান বলতে লোকে কিন্তু একজনকেই চিনতেন, আব্বাস সিদ্দিকী। খুব একটা শোনা যায়নি নওশাদ সিদ্দিকীর নাম। কিন্তু, কে জানত অচিরেই ভাঙড়ের ‘এক নম্বর ভাইজান’ হয়ে উঠবেন নওশাদ। কে জানত বিরোধীদের পালে হাওয়া লাগাবে তাঁরই হাত ধরে। কে জানত তিনিই উঠে আসবেন রাজ্যের প্রথমসারির তৃণমূল বিরোধী মুখ হিসাবে উঠে আসবেন। একুশের পর ফের ব্রিগেডে বামেরা। তবে এবার সংযুক্ত মোর্চা নয়, যুব সংঠনের হাত ধরেই পতপত করে উড়ছে লাল পতাকা। সশরীরে যেতে না পারলেও বাম ব্রিগেডের সাফল্য কামনা করলেন নওশাদ সিদ্দিকী (Naushad Siddiqui)।
এদিন ডানকুনিতে রক্তদান শিবিরের অনুষ্ঠানে গিয়ছিলেন ভাঙড়ের বিধায়ক। সেখানেই নওশাদ বলেন, “যাঁরা বিজেপি তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই যাঁরা করছেন তাঁদের পাশে শারীরিকভাবে না থাকতে পারলেও মানসিকভাবে পাশে আছি। আশা করছি সাফল্যের সঙ্গে ডিওয়াইএফআইয়ের এই অনুষ্ঠান শেষ হবে। ওদের সাফল্য কামনা করছি। বাংলার মানুষকে নতুন কোনও দিশা দেখাবে।”
তবে তিনি যে কোনও আমন্ত্রণপত্র পাননি সে কথাও বললেন অকপটে। অস্বস্তি না লুকিয়েই বলেন, “এটা তো আর সংযুক্ত মোর্চার বিষয় নয়। যে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। ডিওয়াইএফআই করছে। ওদের একান্ত বিষয়।” এদিকে ব্রিগেড নিয়ে এদিন খোঁচা এসেছে ঘাসফুল শিবির থেকে। রীতিমতো কটাক্ষের সুরে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “ বিজেপিকে ভোট দিচ্ছে সিপিএম। সিপিএমের ব্রিগেড মানেই সিপিএমকে ভোট নয়।” এ মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয় দিতে দেখা গিয়েছে নওশাদকে। বলেন, “কুণালের কথার সঙ্গে কাজের কোনও মিল নেই। বামেরা ওনার কথা পাত্তা দেবে না বলেই আমি মনে করি।”