Sealdah Station: ‘গার্লফ্রেন্ড চলে গিয়েছে, এনে দিতে হবে…বন্ধুরা খিল্লি করে’,পদাতিক এক্সপ্রেসের মাথায় উঠে চিৎকার যুবকের, শিয়ালদহে তুমুল হইচই

Padatik Express: যুবকের পরিচয় পত্র ব্যাগ থেকে বের করে দেখা যায় তিনি অসমের বাসিন্দা। যদিও কলকাতায় তাঁর পরিজনরা থাকেন। এরপর তাঁদের ডেকে আনা হয়। পরিজনরা অবশ্য দাবি করেন, তাঁদের বাড়ির ছেলের মানসিক অবস্থা ভালো নেই। এরপর রেলের চিকিৎসকদের দেখিয়ে ওই যুবককে এনআরএস হাসপাতালে পাঠানো হয়।

Sealdah Station: গার্লফ্রেন্ড চলে গিয়েছে, এনে দিতে হবে...বন্ধুরা খিল্লি করে,পদাতিক এক্সপ্রেসের মাথায় উঠে চিৎকার যুবকের, শিয়ালদহে তুমুল হইচই
শিয়ালদহে হইচইImage Credit source: Tv9 Bangla and Getty

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jul 14, 2026 | 10:39 PM

কলকাতা: ট্রেনের ছাদে সটান উঠে পড়লেন যুবক। তারপর চিৎকার, ‘আমার গার্লফ্রেন্ড চাই, তাঁকে এনে দিতে হবে।‘ দাবি এখানেই শেষ নয়। এরপর ওভারহেড তার ছুঁয়ে ফেলবেন বলে দিলেন আত্মহত্যার হুমকি। সন্ধের সময় ব্যস্ত শিয়ালদহ স্টেশনে রীতিমতো তুলকালাম অবস্থা।

মঙ্গলবার শিয়ালদহ স্টেশনে ডাউন পদাতিক এক্সপ্রেস প্ল্যাটফর্মে ঢুকছে। ঠিক সেই সময় বছর তিরিশের এক যুবক গেট থেকে নেমেই সোজা উঠে যান ট্রেনের ছাদে। এমন দৃশ্য দেখে স্বাভাবিকভাবেই বাকি যাত্রীরা চিৎকার করবেন! আর ঠিক তেমনটাই হল।ওই যুবককে দেখে অন্যান্য যাত্রীদের চিৎকার শুরু। তখন যুবক রীতিমতো ভয় দেখাতে থাকেন। বলতে শুরু করেন, “আমার গার্লফ্রেন্ড আমায় ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমার তাঁকে চাই। তাঁকে এনে না দিলে আমি এই বিদ্যুতের তার ছুঁয়ে ফেলব। আমার বন্ধুরা আমাকে নিয়ে খিল্লি করে। আমি তাই মরব।”

এদিকে, মাথার উপরে তখন ওভারহেড তার। যা ছুঁলেই সম্পূর্ণ শেষ হয়ে যাবেন তিনি। ততক্ষণে শিয়ালদহ স্টেশনে তখন ছোটাছুটি লেগে গিয়েছে। চলে এসেছেন রেলের আধিকারিকরা। এরপর আরপিএফ-এর জওয়ানরা ছুটে আসেন। ওই যুবককে আশ্বস্ত করে নামানোর চেষ্টা করেন।

কিন্তু যুবক নিজের ব্যাগ কাঁধে তুলে বলতে থাকেন, “এই কথা আমি শুনবো না। আমার বন্ধুদের চাই। আমার বিশেষ বন্ধু চাই। নইলে আমি মরব।” রীতিমতো আরপিএফ জওয়ানরা ট্রেনের দুদিক থেকে উঠে ওই যুবককে ধরার চেষ্টা করেন। যুবক তাঁদেরকে দেখে বারবার করে ভয় দেখাতে থাকে। প্রায় ১০ থেকে ১৫ মিনিট এই অবস্থা চলার পর এক আরপিএফ জওয়ান কোওনরকমে ওই যুবককে ধরে ফেলেন এবং নিচে নামিয়ে আনেন।

যুবকের পরিচয় পত্র ব্যাগ থেকে বের করে দেখা যায় তিনি অসমের বাসিন্দা। যদিও কলকাতায় তাঁর পরিজনরা থাকেন। এরপর তাঁদের ডেকে আনা হয়। পরিজনরা অবশ্য দাবি করেন, তাঁদের বাড়ির ছেলের মানসিক অবস্থা ভালো নেই। এরপর রেলের চিকিৎসকদের দেখিয়ে ওই যুবককে এনআরএস হাসপাতালে পাঠানো হয়।

 

Follow Us