
কলকাতা: একসময় কলকাতার অন্যতম কুখ্যাত এলাকার নাম ছিল ‘বন্দর’। এলাকায় অনেক সমস্যা রয়েছে। বেআইনি নির্মাণ সহ বিভিন্ন ইস্যু সামনে এসেছে বারবার। খুন, অপহরণের মতো অভিযোগ উঠেছে একাধিক। তবে সেই বন্দর এখন অনেকটাই শান্ত। আস্তে আস্তে অপরাধের ঘটনা কমেছে বলে জানাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। ২৬-এর নির্বাচনে সেই বন্দরে কী হবে ফল?
একুশের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ফিরহাদ হাকিম। ৬৮,৫৫৪ ভোটের ফারাক ছিল ওই ভোটে। প্রায় ৭০ শতাংশ ভোট পেয়েছিল শাসক দল। এই এলাকার তিনবারের বিধায়ক ফিরহাদ।
২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রায় দ্বিগুণ ভোট পায় তৃণমূল। এই বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রাপ্তি ছিল ২৭.৪৪ শতাংশ। আর তৃণমূলের প্রাপ্তি ছিল ৫৫.৫১ শতাংশ। ৪২,৮৯৩টি ভোট বেশি ছিল তৃণমূলের কাছে। তফাৎ ছিল প্রায় ৪২ হাজার ভোটের। পরপর দুই নির্বাচনের যা ফলাফল আর এই কেন্দ্রের সাধারণ মানুষ যা বলছেন, তাতে ২০২৬-এর সমীক্ষা রিপোর্ট এগিয়ে রাখছে তৃণমূলকেই।
সমীক্ষার রিপোর্ট প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, “যাকেই জিজ্ঞেস করবেন, সেই বলবে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছে, ছিল, থাকবে। কারণ তিনি মানুষের পাশে থাকেন। ফিরহাদ হাকিম থাকুক না থাকুক বন্দরে তৃণমূল কংগ্রেসের যে প্রার্থী হবে, তাতেই সাধারণ মানুষ দু’হাত তুলে আশীর্বাদ করবে।” ফিরহাদ হাকিম এই কেন্দ্র থেকেই এবার টিকিট পাবেন? সেই প্রশ্নও উঠছে।