Partha Chatterjee: পার্থকে একসময়ে মেসেজ করতেন ভারতী ঘোষও! নাম আরও অনেকের, কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! জমা পড়ল রিপোর্ট

Partha Chatterjee: আদালতে পেশ করা সিবিআই-এর রিপোর্টে তৃণমূল ও বিজেপি-দুই দলেরই নেতানেত্রীদের নাম রয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, বিকাশ ভবনে তল্লাশি চালিয়ে এই তালিকা উদ্ধার হয়।

Partha Chatterjee: পার্থকে একসময়ে মেসেজ করতেন ভারতী ঘোষও! নাম আরও অনেকের, কেঁচো খুঁড়তে কেউটে! জমা পড়ল রিপোর্ট
পার্থর কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন ভারতীও!Image Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Feb 14, 2025 | 11:12 PM

কলকাতা: ২০১৬ সালের প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চাঞ্চল্যকর তথ্য। সামনে এসেছে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে কারা কারা সুপারিশ করেছিলেন? আদালতে পেশ করা সিবিআই-এর রিপোর্টে তৃণমূল ও বিজেপি-দুই দলেরই নেতানেত্রীদের নাম রয়েছে। সিবিআই সূত্রে খবর, বিকাশ ভবনে তল্লাশি চালিয়ে এই তালিকা উদ্ধার হয়। এই নথির ওপর ভিত্তি করেই তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

শুক্রবার আদালতে সিবিআই বেশ কিছু নথি জমা দেয়। নথিতে নাম রয়েছে বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের। তিনিও চার জনের চাকরির জন্য সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন। নাম রয়েছে সেসময়কার তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীর। সে সময়ে তিনি ২০ জনের চাকরির সুপারিশ পাঠিয়েছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে। নাম রয়েছে, শিউলি সাহা, মমতাবালা ঠাকুরের তরফেও।

সিবিআই-এর খবর, পার্থ সেই নামের তালিকা পাঠিয়ে দিতেন মানিক ভট্টাচার্যের কাছে। তিনি সে সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি। তাঁর কাছে মোট ৩২১ জনের সুপারিশপত্র পাঠানো হয়েছিল। তারমধ্যে ১৩০-এর কিছু বেশি জনের চাকরি হয়েছিল। সেই নথি এবার সরাসরি আদালতে জমা দিল সিবিআই।

যদিও এই নিয়ে বিজেপি নেতা দিব্যেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, “নো কমেন্টস্।” অন্যদিকে, বিজেপি নেত্রী ভারতী ঘোষের বক্তব্য, “সিবিআই যখন আমার নামটা পেল, উচিত ছিল আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করার। সিবিআই আমাকে একবারও ডাকেনি। যখন কারোর নাম আসে, তখন তাঁকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা নর্মাল তদন্তের মধ্যে পড়ে। দ্বিতীয় কথা, এসপি-র সময়ে হাজার হাজার মানুষের উপকার করেছি। এসএসকেএমের সিটেরও ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু সব রেকমেন্ডেশনই করেছি আইনের গণ্ডির মধ্যে থেকে। এই যে চার জনের কথা বলা হচ্ছে, তাঁদের সুপারিশ কি আইনি গণ্ডির মধ্যে থেকেই করেছি, পুলিশ সুপারের জায়গা থেকে?”

অন্যদিকে, তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর বলেন, “এই ধরনের কাজ আমি কখনও করি না। করিওনি। ” যদিও রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যাঁদের সুুপারিশে বেআইনি নিয়োগ হয়েছে, তার মধ্যে কোনও বিজেপির লোক নেই।”

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us