
কলকাতা: ভেঙে ছত্রখান তৃণমূল। বেনজির একুশে জুলাই দেখছে বাংলা। একুশের সভায় তৃণমূলকেই বিঁধছে তৃণমূল। কালীঘাট তৃণমূল থেকে ঋত-তৃণমূলকে তোপের পর তোপ। ভিড়ের টক্কর নিয়ে ঋতব্রত তৃণমূলকে কটাক্ষ অভিষেকের। খোঁচা দিয়েই তাঁর সাফ কথা, “৫ ওয়ার্ট ১০ ওয়ার্টের বাল্ব সে এখন ভাবছে আমি হ্যালোজেন হয়ে গিয়েছি। আরে বিদ্যুৎ সঞ্চার করছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাঁর রাজনীতিকে সামনে রেখে আপনার রাজনৈতিক পরিচয়।” এরপরই সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “যদি কেউ নিজের মাকে ত্যাগ করে তাহলে সৃষ্টিকর্তা, সর্বশক্তিমানও কোনওদিন ক্ষমা করে না। আমি নেত্রীকে অনুরোধ করব যাঁরা গিয়েছে তাঁদের একটাকেও দয়া করে আগামী দিনে ফেরত নেবেন না।”
অন্যদিকে থেমে নেই ঋতব্রত শিবিরও। তোপের পর তোপ দাগতে দেখা গিয়েছে মদন মিত্রের মতো বরিষ্ঠ নেতাদেরও। অভিষেক-মমতার বিরুদ্ধে একযোগে সুর চড়িয়ে মদন বলছেন, “দলের কর্মীদের টাকায় চাটার্ড বিমান কিনেছেন অভিষেক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন গান্ধারীর ভূমিরা পালন করছেন। ক্ষমতা থাকলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই মঞ্চে এসে ক্ষমা চান। আমরা আমাদের উত্তরীয় আপনার পায়ের নিচে দিয়ে দেব।”
অন্যদিকে সুর ক্রমেই আরও ধারালো করতে দেখা গিয়েছে অভিষেককে। তাঁর সাফ কথা, “তৃণমূল কংগ্রেসকে চমকে ধমকে লাভ নেই। একদিকে ইডি, একদিকে সিবিআই, একদিকে ইনকাম ট্যাক্স, একদিকে সিআইডি, একদিকে এসটিএফ, গলা যদি কেটে দেন তাহলে যেদিন দেহত্যাগ করব সেদিন মৃতদেহটা শ্মশানে নিয়ে যাওয়ার আগে যদি কান পেতে শোনেন তাহলে সেই দেহ থেকে জয় বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ বের হবে।”