
বারুইপুর: পুলিশি এনকাউন্টারে (Encounter) মৃত্যু বারুইপুর ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে (Baruipur Crime) অন্যতম এক অভিযুক্তের। ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালায় ওই অভিযুক্ত। এর পরই পুলিশও গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। এই অভিযুক্তকেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল সিসিটিভি ফুটেজে (CCTV Footage)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অপরাধের পুর্ননির্মাণের জন্য পুলিশ গতকাল, মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত আচমকাই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায়। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, অভিযুক্তকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তাঁর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। এই অভিযুক্তই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রেল লাইনের পাশে পুকুর থেকে নির্যাতিতার মৃতদেহ উদ্ধার করিয়েছিল দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
পুলিশের দাবি, ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ দলকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায়। এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। সেই গুলিতে অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়।
এরপর তাঁকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গতকালই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে, কথা বলতে। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। পুলিশও পুরোদমে তল্লাশি চালাচ্ছিল। গতকাল রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টার।
একইসঙ্গে নাবালিকার খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চতুর্থ জন, যে এতদিন পলাতক ছিল, তাঁকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসটিএফ, বারুইপুর এসওজি এবং জেলা পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে বসিরহাট থেকে গ্রেফতার করা হয়। মোবাইল ফোনের লোকেশন ট্র্যাক করে ওই চতুর্থ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে।