
কলকাতা: ট্যাংরা কাণ্ডের পরতে পরতে রহস্য। ‘পেঁয়াজের খোসার’ মতো একটা পর একটা খোলস ছাড়ছে গোটা ঘটনা থেকে। কিন্তু মিলছে না আসল কারণ? কেনই বা বাড়ির দুই বধূ-মেয়েকে খুন করা হল? সেদিন রাতে গাড়ি নিয়ে কোথায়ই বা যাচ্ছিলেন দে পরিবারের পুরুষ সদস্যরা? প্রশ্ন একাধিক কিন্তু উত্তর অধরা।
গতকালই ময়নাতদন্তে স্পষ্ট হয়েছে গলা কেটে খুন করা হয়েছে দুই বধূকে। অন্যদিকে, খাবারে বিষ মিশিয়ে দিয়ে প্রাণ নেওয়া হয়েছে দে পরিবারের নাবালিকার। কিন্তু এমন কাণ্ড, সেই নিয়ে মেলেনি উত্তর। বরং জট কাটার পরিবর্তে তা আরও পাকিয়ে গিয়েছে বলেই মত পুলিশি মহলের।
তাই এবার গোটা ঘটনার রহস্য ছেদ করতে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুলিশ-প্রশাসন। দুই বউকে কি একজন খুন করেছে নাকি দুই ভাই আলাদাভাবে নিজেদের স্ত্রীকে খুন করেছেন সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে শুধু বয়ান নয়, সাইন্টিফিক এভিডেন্স সংগ্রহে জোর দিচ্ছে পুলিশ।
কীভাবে নেওয়া হবে এই সাইন্টিফিক এভিডেন্স? বাড়ির তিনতলার বিছানা থেকেই উদ্ধার হয়েছিল একটি রক্তমাখা ছুরি। সেটি ব্যবহার করেই দুই বধূর প্রাণ নেওয়া হয়েছে বলে সন্দেহ পুলিশের। আর সেই ছুরিকে ব্যবহার করে এবার রহস্যছেদ করতে চায় পুলিশও। সেটিতে কোনও আঙুলের ছাপ আছে কিনা আর তা থাকলে হাসপাতালে ভর্তি থাকা দুই ভাইয়ের আঙুলের ছাপের সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখতে চায় পুলিশ।
হাসপাতালে ডাক্তারদের থেকে সবুজ সংকেত পেলেই শুরু হবে সেই আঙুলের ছাপ মেলানোর কাজ। এছাড়াও, দে পরিবারের সেই মৃত নাবালিকার খাবারে কে বিষ মিশিয়ে ছিল, সেই নিয়েও ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে দে পরিবারের ওই দুই ভাইকে জেরা করবে পুলিশ।