Pratik Ur Post: অবশেষে নিঃস্তবদ্ধতা কাটিয়ে মুখ খুললেন প্রতীক-উর

Pratik Ur Rahaman: পরে যদিও যোগ দেন তৃণমূলে। রাজ্যে পালাবদলের একবার পোস্ট করে তিনি জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন এরপর অভিষেকের উপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর সক্রিয় হতে দেখা যায়নি প্রতীক-উরকে। 

Pratik Ur Post: অবশেষে নিঃস্তবদ্ধতা কাটিয়ে মুখ খুললেন প্রতীক-উর
প্রতীক উর রহমানImage Credit source: Facebook

| Edited By: অবন্তিকা প্রামাণিক

Jul 26, 2026 | 9:14 AM

কলকাতা: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly) ঠিক আগে-আগে সিপিএম-এর উপর একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে দলবদল করেছিলেন প্রতীক-উর-রহমান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে যোগ দেন তৃণমূলে। তারপর দলের পরাজয়। তখন থেকে কার্যত আর রাজনীতির ময়দানে নেই তিনি। সংবাদ মাধ্যমের সামনেও আসেননি প্রতীক-উর। এমনকী, নিট ইস্যুতে যখন উত্তাল গোটা দেশ, ছাত্ররা বিক্ষোভ করেই চলেছে, তাঁর দলের নেতারা দিল্লিতে পড়ুয়াদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সেই সময়ও চুপ প্রতীক-উর। অবশেষে কাটল সেই নিঃস্তবদ্ধতা। সমাজ মাধ্যমে পোস্ট করলেন তিনি। অভিযোগ করলেন পুলিশের বিরুদ্ধে। যদিও, প্রতীক-উরের মন্তব্যের পর পাল্টা দিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষও।

দিল্লির ছাত্র আন্দোলনের আঁচ এসে পড়েছিল কলকাতাতেও। গত শুক্রবার বাম ছাত্র-সংগঠনগুলির ডাকে প্রচুর ছাত্রছাত্রীরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে সরব হন। মিছিল করেন। সেই মিছিল খানিকদূর  যাওয়ার পর বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো ছোড়াছুড়ি, বোতল ছোড়াছুড়ি শুরু হয়। নিগ্রহ করা হয় সাংবাদিকদের। এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সক্রিয় হয় পুলিশ। সেই বিষয়টিকেই কটাক্ষ করে শুক্রবার পোস্ট করেন প্রতীক উর। তিনি লিখেছেন, “আজ ধর্মতলায় ছাত্র দের উপর পুলিশি জুলুম ও লাঠি চার্জকে তীব্র ধিক্কার জানাই।” তৃণমূল নেতা লাঠিপেটার কথা উল্লেখ করলেও, পুলিশ অফিশিয়ালি লাঠিপেটার কথা স্বীকার করেনি।

প্রতীক-উর নিজেও একসময় বামপন্থী ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে এসেছেন। দীর্ঘদিন তিনি এসএফআই (SFI)-এর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলেছেন। পরে যদিও যোগ দেন তৃণমূলে। রাজ্যে পালাবদলের একবার পোস্ট করে তিনি জানিয়েছিলেন, তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন এরপর অভিষেকের উপর হামলার ঘটনায় সরব হয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে আর সক্রিয় হতে দেখা যায়নি প্রতীক-উরকে।

এ দিকে, পাল্টা প্রতীক উরের মন্তব্য নিয়ে সরব হন দিলীপ ঘোষও। তিনি বলেন, “উনি ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন না কেন। এত বড় নেতা, এ পার্টি ও পার্টি করছেন। যে পার্টিতে যাচ্ছেন সে পার্টি ডুবে যাচ্ছে। ছাত্র আন্দোলনকে ধরে ভেসে থাকার চেষ্টা করছে। সেই জন্য আইন আইনের পথেই চলছে। পুলিশ আইনের কাজই করবে আইনের বাইরে যে যাবে আইন তার বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে।”

Follow Us