School Teacher: ছাত্রীকে বকা দিতেই স্কুল শিক্ষিকাকে ‘শাস্তি’, চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার

School Teacher: শোনা যাচ্ছে বুধবার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বকাঝকা করেছিলেন অমৃতা দেবী। শাস্তিও দিয়েছিলেন। এদিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে মেয়েটি। জ্বরও আসে। তারপর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন তার মা-বাবা।

School Teacher: ছাত্রীকে বকা দিতেই স্কুল শিক্ষিকাকে ‘শাস্তি’, চুলের মুঠি ধরে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মার
ক্ষোভে ফুঁসছেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষিকারাও। ছবিতে অমৃতা দেবীর সহকর্মী মন্দ্রিতা চক্রবর্তী Image Credit source: TV-9 Bangla

| Edited By: জয়দীপ দাস

Jan 18, 2024 | 6:39 PM

বজবজ: ক্লাস সেভেনের ছাত্রীকে বকাঝকা করেছিলেন স্কুলের দিদিমণি। অভিযোগ, সেই দিদিমণিকে রাস্তায় দেখেই তেড়ে গেলেন ছাত্রীর মা-বাবা। দেওয়া হল মার। রাস্তায় ফেলে চলল বেধড়ক মারধর। ঘটনায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা স্কুলে। ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্কুলের অন্যান্য শিক্ষিকারা। চাঞ্চল্যকর ঘটনা বজবজের রাজারামপুর গার্লস হাইস্কুলে। এই স্কুলেই শিক্ষকতা করেন অমৃতা মিত্র দত্ত। 

সূত্রের খবর, বুধবার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বকাঝকা করেছিলেন অমৃতা দেবী। শাস্তিও দিয়েছিলেন। এদিকে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পর অসুস্থ হয়ে পড়ে মেয়েটি। জ্বরও আসে। তারপর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছিলেন তার মা-বাবা। এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে যখন স্কুলে আসছিলেন অমৃত দেবী তখন তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায় ছাত্রীর পরিবারের লোকজন। অভিযোগ, রাস্তাতেই ছাত্রীর মা-বাবা ওই শিক্ষিকাকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন। ঘটনায় ইতিমধ্যেই ওই ছাত্রীর বাবা-মায়ের বিরুদ্ধে বজবজ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে স্কুলের তরফে। নিকটবর্তী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে আহত শিক্ষিকাকে। ঘটনায় আটক করা হয়েছে ছাত্রীর মাকে। 

ঘটনায় স্কুলের শিক্ষিকা মন্দ্রিতা চক্রবর্তী বলছেন, “ওনাকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে। রাস্তায় ফেলে মারা হয়েছে। আমরা শুনেছি সামন্য বকা দিয়েছিলেন। ক্লাস দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন ছাত্রীটিকে। তাতেই এই কাণ্ড। বাচ্চাটির নাকি বাড়ি গিয়ে জ্বর এসেছে, পেটে ব্যথাও হয়। ওরা তো স্কুলে এসে আমাদের বলতে পারত। তা না করে অটো থেকে চুল ধরে নামিয়ে থামে মাথা ঠুকে দেয়। তারপর বেধড়ক মার শুরু করে ছাত্রীটির বাবা। আমরা তো অনেক চেষ্টা করে ছাড়াতেও পারিনি। আমরা তো কেঁদে ফেলেছিলাম। আমরা সত্যিই খুব ভয়ে রয়েছি। এটা কী করে কেউ করতে পারে তা ভাবতে পারছি না।” 

Follow Us