
কলকাতা: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘সেবাশ্রয়’ নিয়ে বিস্তর প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। এরই মধ্যে বিস্ফোরক তথ্য। ডায়মন্ড হারবারের সেবাশ্রয়ের সরকারি কোনও অনুমতিই ছিল না। স্বাস্থ্য দফরের কোনও অনুমোদন বা লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে এই সেবাশ্রয়টি অবাধে পরিচালনা করা হচ্ছিল, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ প্রশাসনের।
নবান্ন সূত্রে খবর, সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের কাছ থেকে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। মূল প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনের নজরদারি নিয়ে—কীভাবে এতদিন ধরে স্বাস্থ্য দফতরের ছাড়পত্র ছাড়াই এমন একটি প্রতিষ্ঠান সক্রিয় ছিল, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এই রিপোর্টে।
রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, আইন অমান্য করে কোনও বেআইনি কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। নবান্ন সূত্রের ইঙ্গিত, তদন্তে যদি হোমের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিয়ম লঙ্ঘনের প্রমাণ মেলে এবং প্রতিষ্ঠানটি সম্পূর্ণ বেআইনি বলে প্রমাণিত হয়, তবে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে রাজ্য সরকার।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রথম সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু করেন অভিষেক। নিজের লোকসভা কেন্দ্র ডায়মন্ড হারবারজুড়ে এই কর্মসূচি চলে আড়াই মাস ধরে। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে সেবাশ্রয় শিবির ফের করা হয়। এবার ডায়মন্ড হারবারের পাশাপাশি নন্দীগ্রামেও সেবাশ্রয় শিবির করা হয়। বিধানসভা ভোটের আগে নন্দীগ্রামে সেবাশ্রয় শিবির নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু হয়। রাজ্যে পালাবদলের পর সেবাশ্রয়ের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করে বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস ওরফে ববি। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা করানো হয়েছে বলেও অভিযোগ। এই বিতর্কের মাঝেই আবার নয়া অভিযোগ।