
কলকাতা: ১০ জন তৃণমূল বিধায়কের (ঋতব্রতপন্থী) সদস্যপদ খারিজ করার ক্ষেত্রে কেন বিধানসভার অধ্যক্ষ ভূমিকা নিচ্ছেন না, সেই প্রশ্ন তুলে মামলা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এরপরই বিধানসভার সচিবালয়ের তরফে ওই ১০ বিধায়ককে নোটিস দেওয়া হয়েছে। সেই নোটিসের জবাব আদৌ দিতে হবে কি না, সেই প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্টে কালীঘাট-তৃণমূলের করা ওই লিভ পিটিশনে ভুল আছে।
ওই লিভ পিটিশন সম্পর্কে ঋতব্রত বলেন, “শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলে কেউ একটা ফাইল করেছে, আমি চিনি না।” সচিবালয়ের তরফে আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর জবাব দিতে বলা হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্য়ায়, সন্দীপন সাহা, ফিরহাদ হাকিম হ ১০ বিধায়ককে। সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বলেন, “অনেক সময় আছে। ১৮ তারিখ বিকেল ৫টার মধ্যে জবাব দিতে হবে। ততদিনে কোথাকার জল কোথায় গড়ায়, তার ঠিক নেই। আদৌ জবাব দিতে হবে কি না, দেখা যাক।”
সুপ্রিম কোর্টে ১০ জনের সদস্যপদ নিয়ে মামলা হওয়ার পর তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেছিলেন, “বাকিদের একটু অক্সিজেন দিচ্ছি। ফিরতে চাইলে ফিরে আসুন।” এদিন নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন ঋতব্রত। তিনি বলেন, “জাস্টিস মোহিতোষ মজুমদারের মুহুরী ছিলেন। আইনের একটা ক্র্যাশ কোর্স করা দরকার। পিটিশনে এত ভুল থাকছে।”
তৃণমূল আমলে সব সরকারি মামলা কেন একই পরিবারের সদস্যরা লড়েছেন, সেই প্রশ্নও তোলেন ঋতব্রত। তিনি আরও বলেন, “১০ জনের পদ খারিজ হচ্ছে, এই নিয়ে যাঁরা আনন্দ করছেন, করুন।”